শহরে শুরু বাজির বাজার, বাড়ছে বায়ু দূষণের মাত্রা

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্পষ্ট হল, ২০২১ সালের নির্দেশ কেবল দিল্লি বা রাজস্থানের জন্য নয়, সারা দেশেই প্রযোজ্য। অর্থাৎ, বেরিয়াম বা অন্যান্য নিষিদ্ধ রাসায়নিকযুক্ত সব ধরনের বাজিই সারা দেশে নিষিদ্ধ এবং এর ফলে কেবল সবুজ বাজিই ছাড় পাবে।

এই নির্দেশের পরও বাংলায় নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার অব্যাহত রয়েছে। সোমবার দক্ষিণ শহরতলির মহেশতলা, নুঙ্গি ও বজবজ এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১৫০ কেজি বাজি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

বালিগঞ্জ এলাকার বাতাসে পিএম ২.৫-এর, অর্থাৎ অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণার মাত্রা ছিল ২৮০। যা যথেষ্ট খারাপ।

পরিবেশবিদরা বলছেন, বাজি পোড়ানোর ফলে বাতাসে প্রচুর পরিমাণে দূষণ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বেরিয়ামযুক্ত বাজি পোড়ানোর ফলে তামাস্কুরিয়াম নামক একটি ক্ষতিকর রাসায়নিক তৈরি হয়, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

এদিকে, কলকাতায় মঙ্গলবার শুরু হল বাজি বাজার। তবে সবুজ বাজির স্ক্যানার নিয়ে ধন্দ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, অ্যান্ড্রয়েড টুয়েল্‌ভ-এর নীচের ভারশানের মোবাইল ফোনে নিরি-র অ্যাপ থেকে সবুজ বাজির কিউআর কোড স্ক্যান করা যাচ্ছে না।

কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার রিজার্ভ ফোর্স অভিষেক গুপ্তা বলেন, ‘৩০টি বাজির মধ্যে মোট ১৩টি বাজি ছাড়পত্র পেয়েছে। সেগুলোর বাইরে অন্য কোনও বাজি বাজারে বিক্রি করা যাবে না।’

বাংলা সরকারের পরিবেশমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে সবুজ বাজি ছাড়া অন্য কোনও বাজি বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে না।’

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *