99% মানুষেরই অজানা, জানেন কি ডিমের অমলেট এবং মামলেট ‘-র মধ্যে পার্থক্যটা ঠিক কোথায়?

বাঙালি খাদ্যতালিকায় অপরিহার্য প্রস্তুতি স্থান নেয় তা হল ডিম। প্রতিদিনের ব্যস্ততাময় জীবন এই ডিমই আমাদেরকে দেয় চটজলদি উদরপূর্তির অবকাশ। তবে ডিম সেদ্ধ, ডিমের ডালনা, ডিম ভাজা তো অনেক হলো। আপনারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন অমলেট এবং মামলেট এর পার্থক্যটা কি?

একসময় বাঙালি হিন্দু অন্তঃপুরে মুরগিকে “রামপাখি” হিসেবে ডাকা হতো তাই সেই সময় মুরগির মাংস ও ডিম দুটোই ব্রাত্য ছিল বাঙালি বাড়িতে। তবে হাঁসের ডিমে ছিল না কোনো নিষিদ্ধকরণ আর সেই কারণেই হাঁসের ডিমের ডালনা এবং নানান রকম পদের চলছিল বাঙালি পরিবারে। তবে তার সম্ভার যে রোজ ছিল তা কিন্তু নয় কখনও জামাইভাগ্যে জুটতো কদাচিৎ।

তবে 1970 এর দশক থেকে বাঙালি চায়ের দোকানের চায়ের আড্ডার সুবাদে দোকানে দোকানে ডিমের মামলেট এর প্রচলন শুরু হয়। হালকা তেলে বাদামি করে ভাজা ও মধ্যেখানে লঙ্কা পেঁয়াজ কুচি মোজাইক যুক্ত এই বিশেষ লোভনীয় পদটি বাঙ্গালীর আড্ডার অ্যাড্রিনালিনকে আরো বেশি বাড়িয়ে দিত। বলতে গেলে ডিমের পোচ এর থেকে মামলেট এর প্রচলনই তখন অনেক বেশি বেড়ে যায়।

তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে অমলেট আর মামলেট এর পার্থক্যটা ঠিক কি? আদতে পিঁয়াজ-লঙ্কাকুচি বিহীন হালকা করে ভাজা ডিমের লোভনীয় পদটিকে বলে ওমলেট। এটি সাধারণত ইংরেজরা তাদের প্রাতরাশে উদরোস্ত করে থাকে কিন্তু আদ্যপ্রান্ত বাঙালি বাড়িতে ভাত ডালের সাথে যে পেঁয়াজ-লঙ্কাকুচি যুক্ত ডিমের মামলেট পরিবেশন করে সাদরে উদরপূর্তি করা হয় সেটি হল মামলেট!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *