Chandrayaan 3: ‘কচ্ছপ’-এর গতি! কেন চাঁদে নামার আগে ধীরগতিতে ISRO-র চন্দ্রযান?

চন্দ্রযান ৩ চাঁদে অবতরণ করতে চলেছে। ১৪ জুলাই শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এই দেশীয় মহাকাশযান। ইতিমধ্যেই তা চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছে।
আগামী ২৩ বা ২৪ তারিখ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে চন্দ্রযান ৩ অবতরণ করবে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করতে চলেছে ভারতের চন্দ্রযান ৩। এখনও পর্যন্ত কোনও দেশ চাঁদের এই অংশে নামতে সক্ষম হয়নি। সেই দিক থেকেই চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডিং সফল হলে স্বাভাবিকভাবেই তা একটি বড় সাফল্য হতে চলেছে ভারতের জন্য।
চন্দ্রযান ৩ অবতরণের পর তা একাধিক ছবি মহাকাশ থেকে ইসরোতে পাঠাবে। চাঁদের আবহাওয়া থেকে শুরু করে মহাকাশের একাধিক রহস্যের সমাধান সেক্ষেত্রে সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
চন্দ্রযান ৩-এর গতিবেগ সম্পর্কে এখানে কিছু তথ্য দেওয়া হল:
প্রথম কক্ষপথে প্রবেশের সময় ISRO-র এই মহাকাশযানের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৩৬,৯৬৮.৪ কিলোমিটার।
এরপর প্রথম অর্ধ কক্ষপথে চন্দ্রযান ৩ পাক খাচ্ছিল সেকেন্ডে ১০.২৬৯ কিলোমিটার গতি নিয়ে।
পৃথিবীর কক্ষপথের মায়া কাটিয়ে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশের জন্য এই চন্দ্রযানের গতি প্রয়োজন হয়েছে ঘণ্টায় ৪০ হাজার ৩২০ কিলোমিটার।
ল্যান্ডিংয়ের সময় চন্দ্রযান ৩-এর গতিবেগ হতে চলেছে ঘণ্টায় ৮ হাজার ৫৬৮ কিলোমিটার।
মহাকাশ গবেষণা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যে কোনও চন্দ্রযানকে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করার জন্য ন্যূনতম সেকেন্ডে ১ কিলোমিটার (প্রতি ঘণ্টায় ৩৬০০ কিলোমিটার) গতির প্রয়োজন হয়ে থাকে। চন্দ্রযানের গতি কমে এলে ল্যান্ডার মারফত তার অবতরণ করানো হয়।
চন্দ্রযান ৩-এর সফট ল্যান্ডিংয়ের জন্য ইসরো-র গবেষকরা অতীতের সমস্ত ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। তারা নিশ্চিত করেছেন যে চন্দ্রযানটি অবতরণ করবে চাঁদের একটি সমতল এবং মসৃণ পৃষ্ঠে।
চন্দ্রযান ৩-এর সফট ল্যান্ডিং ভারতের জন্য একটি বড় সাফল্য হবে। এটি ভারতকে মহাকাশ গবেষণায় একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।