প্যাকেটজাত খাবার কেনার সময় যে বিষয়গুলো অবশ্যই মনে রাখবেন, দেখুন

যেকোনো ধরনের প্যাকেটজাত খাবার কেনার সময় মোড়কের লেখা পড়ে নেওয়া জরুরি। যেসব কারণের লেবেল দেখে ও বুঝে কেনা উচিত প্যাকেটজাত খাবার।

প্যাকেটজাত খাবার কেনার সময় যে বিষয়গুলো অবশ্যই মনে রাখবেন-

পরিবেশনের আকার: প্রত্যেকটি খাবার প্যাকেটের লেবেলে আকার/পরিমাণের বিষয়টি উল্লেখ থাকে। কিছু প্যাকেট একজনকে পরিবেশনের জন্য থাকে আবার কিছু প্যাকেট একাধিকজন খেতে পারেন। লেবেলে অন্যান্য বিষয়ও লিস্ট আকারে লেখা থাকে।

পুষ্টি উপাদানের ধরন: প্যাকেটের মোড়কে ক্যালরির পরিমাণ উল্লেখ থাকে। এ ছাড়া কোন ধরনের পুষ্টি উপাদান (যেমন- কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, সুগার, ভিটামিন এবং মিনারেল) রয়েছে তাও দেখে নিতে হবে। উপাদানের পরিমাণগুলো লেবেলে সাধারণত গ্রাম আকারে উল্লেখ থাকে।

কার্বোহাইড্রেট স্টার্চ, চিনি এবং ডায়েটারি ফাইবার দিয়ে তৈরি। এটি সরাসরি শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে কিন্তু ফাইবার ছাড়া এটি রক্তে শর্করার মাত্রাও বাড়াতে পারে।

আপনার প্রতি পরিবেশনায় ১-২ গ্রাম ফাইবার এবং কম চিনির মাত্রা যেমন- ১০ গ্রাম/১০০ গ্রামের কমসহ প্যাক করা স্ন্যাকস বাছাই করা উচিত।

এরপর দেখে নিন ফ্যাটের পরিমাণ। শিশুদের জন্য স্ন্যাক বাছাই করার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর ও অস্বাস্থ্যকর বিষয়ের দিকে নজর দিতে হবে। বিশেষ করে স্যাচুরেটেড চর্বির মাত্রা দেখে নিন। স্যাচুরেটেড ফ্যাট কম এমন খাবার কিনতে হবে।

যদি প্রতি ১০০ গ্রাম খাবারে ১.৫ গ্রামের কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, তাহলে এটিকে কোনো স্যাচুরেটেড ফ্যাট নেই বলে তালিকাভুক্ত করা যেতে পারে।

ট্রান্স-ফ্যাটের মাত্রাও দেখে নিতে হবে। এই চর্বি ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এক গ্রামের কম বা শূন্য ট্রান্স ফ্যাট আছে এমন খাবার বেছে নিন।

আরেকটি উপাদানের দিকে মনোযোগ দিতে হবে- তা হল সোডিয়ামের মাত্রা। সোডিয়াম লবণের প্রধান উপাদান। যদি লেবেলে ১০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম উল্লেখ থাকে, তাহলে স্ন্যাকটিতে প্রায় ২৫০ মিলিগ্রাম লবণ থাকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ২৩০০ মিলিগ্রামের বেশি সোডিয়াম খাওয়া উচিত নয়।

আরডিএ মান যাচাই: প্যাকেটজাত খাবার কেনার সময় পুষ্টির লেবেলে আরডিএ মানগুলো পরীক্ষা করা অপরিহার্য। কারণ এগুলো আপনার বয়স, লিঙ্গ এবং জীবনধারা বা কার্যকলাপের উপর ভিত্তি করে আপনার প্রয়োজনীয় ফ্যাট, প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ এবং শক্তির পরিমাণ নির্দেশ করে।

স্বাস্থ্যকর পুষ্টি বা গুডিজ: আপনার শরীরের পেশি তৈরির জন্য প্রোটিন, বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজগুলোর সমন্বয় প্রয়োজন।

এর মধ্যে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন এ, বি, সি, ডি, ইত্যাদি। এই পুষ্টির উচ্চ মাত্রাসহ স্ন্যাকস বাছাই করা একটি স্বাস্থ্যকর পছন্দ। আপনি যে খাবারটি গ্রহণ করছেন সে সম্পর্কে খাদ্য লেবেল সব সময় পড়ে নিন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *