২৬০ রান তাড়া করতে নেমে মুখ থুবড়ে পড়ল টিম ইন্ডিয়া! হারের পর ব্যাটিং নিয়ে কী বললেন শ্রেয়স আইয়ার?

চতুর্থ টি-২০ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে টিম ইন্ডিয়ার। অকল্যান্ডে ২৬০ রানের পাহাড়প্রমাণ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বড় ব্যবধানে হারের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিস্ফোরক বিষয় তুলে ধরলেন ভারত অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। তবে সবথেকে বড় বিস্ময়ের বিষয় হলো, দলের লজ্জাজনক ব্যাটিং বিপর্যয় নিয়ে একটি শব্দও খরচ করলেন না তিনি।

পাওয়ার প্লেতেই ম্যাচ শেষ ভারতের ২৬০ রানের অসম্ভব টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ভারত। ইনিংসের প্রথম ওভারেই শূন্য রানে সাজঘরে ফিরে যান ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ও ঈশান কিশাণ। পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে শুরু করে টিম ইন্ডিয়া। শেষপর্যন্ত নির্ধারিত ওভারগুলিতে ৯ উইকেটে ১৭২ রানেই থেমে যায় ভারতের ইনিংস। কিন্তু ম্যাচ পরবর্তী পর্যালোচনায় দলের এই ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে দেখা যায়নি অধিনায়ক শ্রেয়সকে। বরং তাঁর পুরো ক্ষোভ গিয়ে পড়ল বোলিং বিভাগের ওপর। বিশেষ করে পাওয়ার প্লেতে কিউই ব্যাটারদের দাপটকেই হারের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।

গ্লেন ফিলিপসের বিধ্বংসী তাণ্ডব এদিনের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের জয়ের আসল নায়ক ছিলেন গ্লেন ফিলিপস। মাত্র ৪৯ বলে ১০৭ রানের এক অবিশ্বাস্য ও বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। অন্যদিকে মাইকেল ব্রেসওয়েল মাত্র ২৫ বলে করেন ৬৫ রান। এই দু’জনে মিলে পঞ্চম উইকেটে মাত্র ৪১ বলেই যোগ করেন ঝোড়ো ১১৫ রান।

বিশেষ করে নীতিশ কুমার রেড্ডির করা ইনিংসের ১৬তম ওভারে তাণ্ডব চালান ফিলিপস। ওই এক ওভারেই ৪টি ছক্কা সহ মোট ৩২ রান তুলে নেন তিনি। পুরো ইনিংসে কিউই ব্যাটাররা মোট ২০টি ছক্কা হাঁকান, যার সিংহভাগই আসে ফিলিপস ও ব্রেসওয়েলের ব্যাট থেকে।

ম্যাচ শেষে হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শ্রেয়স আইয়ার বলেন, “বোলিংয়ের দিক থেকে আমরা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছি। বিশেষ করে পাওয়ার প্লে-র সময় থেকেই ম্যাচ আমাদের হাত থেকে বেরিয়ে যায়। তৃতীয় ওভার থেকেই ওরা খেলার মোমেন্টাম ছিনিয়ে নেয়। গ্লেন ফিলিপস অত্যন্ত অসাধারণ কিছু শট খেলেছে এবং দুর্দান্ত ব্যাট করেছে।”

ব্যাটিংয়ের ভয়াবহ ধস নিয়ে অধিনায়কের এই নীরবতা এখন ক্রিকেট মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *