মাঝরাতে ধাবায় অরিজিৎ সিং! রুটি-তরকা খেয়ে বেরোতেই ঘটল চরম বিপত্তি, জানুন বিস্তারিত

প্রচারের আলো থেকে বরাবরই দূরে থাকতে পছন্দ করেন তিনি। অগণিত ভক্তের হৃদয়ে রাজ করলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন একেবারে মাটির কাছাকাছি ও সাদামাটা। আর সেই সারল্যের জন্যই বারবার খবরের শিরোনামে আসেন তিনি। কথা হচ্ছে বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিংকে নিয়ে। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের এক জাতীয় সড়কের পাশের ধাবায় রাতের খাবার খেতে দেখা গেল এই তারকা গায়ককে। তবে প্রিয় তারকাকে হঠাৎ হাতের কাছে পেয়ে কী ঘটল সেখানে?

ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার রাতে। মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম ব্লকের পলসণ্ডা মোড়ের কাছে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারের একটি সুপরিচিত ধাবায় নৈশভোজ সারতে হাজির হন অরিজিৎ। সূত্রের খবর, জিয়াগঞ্জের নিজের বাড়ি থেকে ১৫-১৭ জন বন্ধুবান্ধবকে সাথে নিয়ে মেঘালয়ের উদ্দেশ্যে সড়কপথে যাত্রা করেছিলেন গায়ক। যাত্রাপথেই রাতের খাবারের জন্য ওই ধাবায় সামান্য বিরতি নেন তিনি।

কী কী খেতেন গায়ক? খোলসা করলেন ধাবামালিক

দেশের সেরা গায়ককে একেবারেই সাধারণ পোশাকে দেখে প্রথমটা বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না ধাবায় উপস্থিত অন্যান্য খদ্দেররা। অরিজিতের পরনে ছিল ছাই রঙের ক্যাজুয়াল টি-শার্ট, অলিভ গ্রিন প্যান্ট, এলোমেলো চুল আর পায়ে সাধারণ সাদা ক্রকস জুতো।

ধাবার মালিক ধীরেন্দর সিং জানান, পরম তৃপ্তি নিয়ে সেখানে বসে রুটি, তরকা এবং লেমন চিকেন খেয়েছেন অরিজিৎ। শুধু তাই নয়, বাকি বন্ধুদের জন্য খাবার পার্সেলও করিয়ে নেন তিনি। পার্সেলের তালিকায় ছিল রুটি, তরকা, লেমন চিকেন ও বাটার চিকেন।

খাওয়াদাওয়া শেষে ভিড়, গাড়ির দিকে দৌড় গায়কের!

আসল নাটকের সূচনা হয় খাওয়া শেষে অরিজিৎ বাইরে পা রাখতেই! ততক্ষণে গায়ককে চিনে ফেলে ধাবা চত্বরে জমায়েত হতে শুরু করেছেন বেশ কয়েকজন অনুরাগী। প্রিয় শিল্পীকে একদম সামনে পেয়ে কেউ ফোন উঁচিয়ে সেলফির আবদার জানান, কেউ আবার কথা বলার চেষ্টা করেন।

তবে অগণিত ভক্তের এই অযাচিত ভিড় ও আবদারে সাড়া না দিয়ে কিছুটা বাধ্য হয়েই দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অরিজিৎ। কোনো ছবিতে বিশেষ সাড়া না দিয়ে প্রায় দৌড়েই নিজের গাড়ির দিকে এগিয়ে যান তিনি। ভক্তরাও পিছু পিছু ক্যাচ ফাঁদতে ছোটেন। পুরো মুহূর্তটি ইতিমধ্যেই ক্যামেরাবন্দি হয়ে নেটপাড়ায় তুমুল ভাইরাল হয়েছে। প্রিয় তারকাকে এতটা কাছে পেয়েও ছবি বা অটোগ্রাফ না পাওয়ায় অবশ্য কিছুটা হতাশ উপস্থিত অনুরাগীরা!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *