হঠাৎ কোথায় গেলেন এই স্পেশ্যাল পুলিশ অফিসার? সার্ভিস রাইফেলসহ নিখোঁজের ঘটনায় হুলুস্থুল উপত্যকায়

সার্ভিস রাইফেলসহ জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের একজন বিশেষ পুলিশ কর্মকর্তা (এসপিও) রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় গোটা উপত্যকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ৫৫ বছর বয়সী ওই পুলিশ কর্মীর আকস্মিক অন্তর্ধানের পর তাঁর সন্ধানে একাধিক বিশেষ দল গঠন করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ এসপিও-র নাম বশির আহমেদ। তিনি কিশতোয়ার জেলার ত্রিগাম পুলিশ পিকেটে কর্মরত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তাঁর কোনো খোঁজ মিলছে না। সার্ভিস রাইফেল সহ একজন পুলিশ কর্মী এভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় তৎক্ষণাৎ নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। তাঁর সন্ধান পেতে জোরদার তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে একাধিক দল। তবে ঠিক কী কারণে তিনি নিখোঁজ হলেন বা তাঁর বর্তমান পরিস্থিতি কী, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশে স্থানীয় স্তরে নিযুক্ত এই বিশেষ পুলিশ অফিসার বা এসপিও-রা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, সীমান্ত ও পার্বত্য এলাকার নিরাপত্তা রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত বাহিনীকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিয়ে থাকেন। বর্তমানে এই উপত্যকার বিভিন্ন জেলা ও সন্ত্রাস-আক্রান্ত এলাকায় প্রায় ৩২ হাজার এসপিও মোতায়েন রয়েছেন।
পলাতক ঘোষণা হিজবুল সন্ত্রাসীকে এদিকে, অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন সংক্রান্ত মামলায় পাকিস্তানের মাটিতে লুকিয়ে থাকা হিজবুল মুজাহিদিন সন্ত্রাসী মুশতাক আহমেদ মীরকে পলাতক আসামি বলে ঘোষণা করেছে জম্মুর একটি বিশেষ আদালত। রাজৌরি জেলার থানমাং গ্রামের বাসিন্দা মীর ১৯৯৫-৯৬ সালের দিকে নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) পার করে সন্ত্রাসী সংগঠনে যোগ দেয়। বর্তমানে সে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর থেকেই সমস্ত সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে জানা গেছে। এনআইএ-র করা আবেদনের ভিত্তিতে এবং জামিন অযোগ্য পরোয়ানা ও বিজ্ঞপ্তি সত্ত্বেও অভিযুক্ত আদালতে আত্মসমর্পণ না করায় আদালত তাকে পলাতক ঘোষণা করেছে।