যন্তর মন্তরের আগেই চরম নাটক! সাউথ অ্যাভিনিউ থেকে বাসে তুলে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রণক্ষেত্র দিল্লি!

রাজধানী দিল্লির বুকে নির্বাচন কমিশন বিরোধী প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে চরম নাটকীয় পরিস্থিতির মুখে পড়লেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যন্তর মন্তরের দিকে এগোনোর আগেই সাউথ অ্যাভিনিউ চত্বর থেকে তাঁকে এবং তৃণমূলের শীর্ষ সাংসদদের আটক করল দিল্লি পুলিশ।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগে আয়োজিত মেগা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে দিল্লি পৌঁছান বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্ব। কিন্তু পুলিশ রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা ও ১৪৪ ধারা জারি করে যন্তর মন্তরগামী সমস্ত রাস্তায় ব্যারিকেড বসায়। সাউথ অ্যাভিনিউ থেকে যন্তর মন্তরের দিকে এগোনোর সময় পুলিশ বাধা দিলে সেখানেই বাসের স্টপের সামনে দলীয় নেতাদের নিয়ে রাস্তায় বসে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দেওয়ার মাঝেই পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই দিল্লি পুলিশের বিশাল বাহিনী এলাকা ঘিরে ফেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সাংসদদের জোরপূর্বক প্রিজন ভ্যান ও বাসে তুলে আটক করে নিয়ে যায়। পুলিশি পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটিকে “সুপার এমার্জেন্সি” এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের কণ্ঠরোধ বলে তোপ দাগেন। এই ঘটনার জেরে রাজধানীর প্রশাসনিক কেন্দ্রস্থলে ব্যাপক যানজট তৈরি হয় এবং দেশজুড়ে রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে।
একনজরে দিল্লির সংঘাতের মূল দিকগুলি:
-
সাউথ অ্যাভিনিউতে বাধা ও ধর্না: যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে ব্যারিকেড দিয়ে আটকানো হলে রাস্তায় বসেই বিক্ষোভ শুরু করেন তৃণমূল নেতৃত্ব।
-
পুলিশি বাসে আটক: শীর্ষ নেতা-সাংসদদের সঙ্গে জোরপূর্বক প্রিজন ভ্যানে তুলে অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ।
-
‘সুপার এমার্জেন্সি’ তোপ: আটক হওয়ার পর কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও গণতান্ত্রিক কণ্ঠরোধের অভিযোগে সরব বিরোধী নেতৃত্ব।
রাজধানীর রাজপথে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধী শিবিরের যৌথ আন্দোলন ও সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।