প্রমাণ ছাড়া ভোট চুরির অভিযোগ কেন? দেশের সাংবিধানিক সংস্থাকে রক্ষা করতে কড়া বার্তা বিশিষ্ট আধিকারিকদের

দেশের নির্বাচন কমিশন এবং সাম্প্রতিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বিরোধীদের লাগাতার প্রশ্ন তোলার বিরুদ্ধে এবার অত্যন্ত জোরালো অবস্থান নিলেন দেশের বিশিষ্টজনেরা। আইএএস, আইএফএস এবং আইপিএস সহ মোট ১২৪ জন অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা একটি যৌথ খোলা চিঠি প্রকাশ করে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের সাফ কথা, কোনো রকম প্রমাণ বা তথ্য ছাড়াই বিনা কারণে ‘ভোট চুরি’ বা ‘কারচুপি’র মতো শব্দ ব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার চেষ্টা চলছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জয়লাভ করলে পুরো ব্যবস্থাটি সৎ এবং হেরে গেলেই তা কারচুপিপূর্ণ—এমন দ্বিমুখী মানসিকতা মেনে নেওয়া যায় না। অতীতে যখন বিভিন্ন রাজ্যে বিরোধী দলগুলি জিতেছে, তখন তো এই একই নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয়নি। এছাড়া ভোটার তালিকা সংশোধন তথা স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়াটির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রাক্তন আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে, একটি ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা তৈরি করা এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্যই এই ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রশ্ন তোলার অধিকার সবার থাকলেও ভিত্তিহীন ও প্রমাণহীন অভিযোগ তুলে দেশের সাংবিধানিক ভিত্তিকে দুর্বল না করার জোরালো আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।