রাঁচিতে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের উত্তাপের মাঝে মেনুতে বড় চমক! রোহিত-কোহলিদের পাতে কী থাকছে জানেন?

ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পুরুষ ক্রিকেট দল এই মুহূর্তে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলার জন্য ঝাড়খণ্ডে রয়েছে। রাঁচির জেএসসিএ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে উভয় দলই রাঁচির একটি নামী হোটেলে অবস্থান করছে, আর এই মেগা ম্যাচের আগেই হোটেল কর্তৃপক্ষের তরফে দুই দলের খেলোয়াড়দের জন্য এক বিশেষ ও তাকলাগানো খাবারের মেনু প্রস্তুত করা হয়েছে। একদিকে যেমন টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়াররা ঝাড়খণ্ডের ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় খাবারের স্বাদ নিচ্ছেন, তেমনই ক্যারিবীয় খেলোয়াড়দের মধ্যেও এদেশের দেশি খাবার নিয়ে দারুণ উৎসাহ দেখা গেছে।

‘দৈনিক ভাস্কর’-এর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, র‍্যাডিসন হোটেলের এক্সিকিউটিভ শেফ জয় ধাওয়াল দেব জানিয়েছেন যে এবারের মেনুতে ঝাড়খণ্ডের নিজস্ব লোকায়ত ও ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলিই প্রধান আকর্ষণ হিসেবে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়দের অনেকেও তাঁদের পাতে মহুয়া বা রাগি দিয়ে তৈরি রুটি এবং স্থানীয় পদগুলিকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। এছাড়া গার্লিক নান ও বাটার চিকেনের কম্বিনেশনটিও বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

খেলোয়াড়দের থালায় কী রয়েছে এবং কী নেই?
ফিটনেস ও ডায়েটের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় দলের ডিনার মেনু বেশ কড়া নিয়মে সাজানো হয়েছে। টিম ইন্ডিয়ার খাদ্য তালিকায় ঝাড়খণ্ডের বিখ্যাত ধুসকা, মাদুয়া রুটি, ছোলার ডালের সুস্বাদু তরকারি এবং করলার ভুজিয়া রাখা হয়েছে। তবে আধুনিক ক্রীড়াবিদদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে মেন্যু থেকে ডেয়ারি মিল্ক সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে খেলোয়াড়দের ওট মিল্ক এবং আমন্ড মিল্ক দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ডিনারের পর খেলোয়াড়দের খাবার থেকে সমস্তরকম মিষ্টিও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মিষ্টির বিকল্প হিসেবে তাঁরা খাচ্ছেন টাটকা ফল ও বিভিন্ন ধরনের শুকনো ফল বা ড্রাই ফ্রুটস।

স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে লাইভ ফুড কাউন্টার:
খেলোয়াড়দের শারীরিক পুষ্টি ও শক্তির জোগান দিতে হোটেলের পাশাপাশি ম্যাচের দিন রাঁচি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমেও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের ভিতরে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের জন্য একটি এক্সক্লুসিভ লাইভ ফুড কাউন্টার থাকবে, যেখান থেকে ম্যাচের যেকোনো বিরতিতে বা খেলার ফাঁকে খেলোয়াড়রা নিজেদের পছন্দমতো পুষ্টিকর হালকা খাবার ও স্ন্যাকস উপভোগ করতে পারবেন। সবমিলিয়ে, মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি রাঁচির রকমারি ভোজনরসিকতার আসরেও এখন জমজমাট পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *