লাউয়ের খোসা ফেলে দেন? এইভাবে ভাজলে চেটেপুটে খাবে সবাই, রইল রেসিপি!

বাঙালি রান্নায় লাউয়ের জুড়ি মেলা ভার। লাউ চিংড়ি হোক বা লাউ ডাল, পাতে পড়লে নিমিষেই ভাত শেষ হয়ে যায়। তবে রান্না করার সময় আমরা প্রায় সকলেই লাউয়ের খোসা ছাড়িয়ে ফেলে দিই। কিন্তু জানেন কি, এই ফেলনা লাউয়ের খোসাতেই রয়েছে ভরপুর ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এবার থেকে আর লাউয়ের খোসা না ফেলে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু ও মুচমুচে ভাজা। রইল এর সহজ পদ্ধতি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
-
লাউয়ের খোসা: ২ কাপ (ভাল করে ধুয়ে সরু সরু করে কাটা)
-
আলু: ১টি মাঝারি সাইজের (টুকরো করা)
-
সর্ষের তেল
-
সর্ষের দানা: হাফ চামচ
-
জিরে: হাফ চামচ
-
হিং: ১/৪ চামচ
-
আদা ও কাঁচালঙ্কা কুচি: পরিমাণমতো
-
হলুদ গুঁড়ো: সামান্য
-
ধনে গুঁড়ো: হাফ চামচ
-
আমচুর বা চাট মশলা: হাফ চামচ
-
নুন ও ধনেপাতা কুচি: স্বাদমতো
বানানোর পদ্ধতি: প্রথমে লাউয়ের খোসাগুলি ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর সরু সরু ও লম্বা করে কেটে রাখুন। এবার কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করে তাতে গোটা সর্ষে, জিরে, হিং, কাঁচালঙ্কা ও আদাকুচি ফোঁড়ন দিয়ে ৩০ সেকেন্ডের মতো নাড়াচাড়া করুন।
ফোড়নে সুন্দর গন্ধ বেরোলে তাতে টুকরো করা আলু ও কেটে রাখা লাউয়ের খোসা দিয়ে দিন। এরপর সামান্য হলুদ গুঁড়ো ও পরিমাণমতো নুন দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার কড়াই ঢেকে মাঝারি আঁচে ৮ থেকে ১০ মিনিট রান্না করুন। মাঝেমধ্যে ঢাকনা খুলে একটু নেড়ে দেবেন, যাতে কড়াইতে ধরে না যায়।
আলু ও লাউয়ের খোসা ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে নরম হয়ে গেলে ঢাকনা সরিয়ে নিন। এরপর তাতে ধনে গুঁড়ো ও আমচুর পাউডার মিশিয়ে দিন। মশলা ভালো করে মিশে গেলে আঁচ বাড়িয়ে আরও ২ মিনিট ভালোভাবে নাড়াচাড়া করুন, যাতে ভাজাটি বেশ মুচমুচে হয়। সবশেষে উপর থেকে কুচানো ধনেপাতা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। ব্যস, গরম গরম ভাত কিংবা রুটি-পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করার জন্য একদম তৈরি দারুণ সুস্বাদু লাউয়ের খোসা ভাজা!