বলিউডের গ্ল্যামারের আসল সত্যি! নিজের স্ত্রীকে ডেটে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁরই পিএ-কে ফোন করতে হয় রাজ কুন্দ্রাকে?

বলিউড তারকাদের জীবন বাইরে থেকে যতটা ঝলমলে ও বিলাসিতাপূর্ণ মনে হয়, বাস্তবে তার নেপথ্যে থাকা কঠোর পরিশ্রম এবং ব্যস্ততার রূপটি সম্পূর্ণ আলাদা। ২০০৯ সালে অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টিকে বিয়ে করার পর শিল্পপতি রাজ কুন্দ্রার ধারণাও প্রথম দিকে ঠিক এমনই ছিল। তিনি ভেবেছিলেন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি মানেই কেবল গ্ল্যামার আর আরাম। কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবন কাটাতে গিয়ে সেই ধারণার আমূল বদল ঘটেছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবন এবং স্ত্রীর পেশাগত ব্যস্ততা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন রাজ কুন্দ্রা।
শিল্পাকে ডেটে নিয়ে যাওয়ার নিয়ম কী?
সাক্ষাৎকারে রাজ জানিয়েছেন, শিল্পার সঙ্গে একটি সাধারণ ডেটে যাওয়ার পরিকল্পনা করাও সবসময় সহজ হয় না। স্ত্রীর অত্যন্ত ব্যস্ত শিডিউলের সঙ্গে সময় মেলানোর জন্য অনেক সময়ই তাঁকে শিল্পার ব্যক্তিগত সহকারী বা পিএ-র (PA) সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয় এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়! বাইরে থেকে যাঁদের জীবন শুধুই পার্টি, রেড কার্পেট আর বিদেশভ্রমণের মনে হয়, পর্দার পেছনের সেই কঠিন রুটিন যে কতটা ক্লান্তিকর, তা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ।
গ্ল্যামারের পেছনের আসল লড়াই
রাজ শুধু শিল্পার ব্যস্ততার কথাই বলেননি, বরং একজন অভিনেত্রীর সাজসজ্জা ও প্রস্তুতির নেপথ্যের কঠোর পরিশ্রমের দিকটিও তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, পর্দায় বা জনসমক্ষে কোনো নায়িকাকে যতটা ঝকঝকে ও আত্মবিশ্বাসী দেখায়, তার পেছনে রয়েছে প্রতিদিন সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা, দীর্ঘ সময় ধরে মেকআপ, চুল সেট করা, সংলাপ রিহার্সাল এবং একের পর এক মিটিংয়ের মতো ক্লান্তিকর রুটিন। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে এই প্রস্তুতির পর্বটি অনেকটাই লম্বা হয়।
তবে শত ব্যস্ততা ও ক্লান্তি সত্ত্বেও শিল্পা নিজের কাজকে দারুণভাবে উপভোগ করেন বলেই জানিয়েছেন রাজ। তাঁর মতে, এই সমস্ত চাপ শিল্পার কাছে এক ধরনের ‘সুইট পেইন’ (sweet pain), কারণ পেশার প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং নিষ্ঠা রয়েছে নিখাদ। ২০০৯ সালের ২২ নভেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই তারকা দম্পতির ১৬ বছরের দীর্ঘ পথচলায় গ্ল্যামার দুনিয়ার চকচকে ছবির আড়ালে থাকা বাস্তব পরিশ্রমের এই দিকটিই এখন নেটদুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।