কাজলের পরকীয়া গুঞ্জনে উত্তাল বলিউড! অজয় দেবগনকে নিয়ে টিনসেল টাউনে কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস?

বলিউড ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে ফের একবার শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন। টিনসেল টাউনের কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, এক বাঙালি অভিনেতার সঙ্গে নাকি পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল (Kajol)। আর এই চাঞ্চল্যকর খবর ইতিমধ্যেই নাকি এসে পৌঁছেছে স্বামী অজয় দেবগনের কানেও! ফলস্বরূপ, বর্তমানে দেবগন পরিবারের অন্দরমহলের পরিবেশ বেশ থমথমে ও গম্ভীর বলেই খবর সূত্রের।

কেরিয়ারের শীর্ষে থাকার সময়েই বিয়ের সিদ্ধান্ত
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ও শক্তিশালী ‘পাওয়ার কাপল’ হিসেবে পরিচিত কাজল ও অজয় দেবগন। বহু বাধা-বিপত্তি ও চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ঠিক যখন কেরিয়ারের একেবারে মধ্যগগনে এবং সাফল্যের শিখরে ছিলেন কাজল, ঠিক তখনই অজয়ের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। অভিনেত্রী নিজে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে, নব্বইয়ের দশকের সেই সময় তাঁর হঠাৎ বিয়ের সিদ্ধান্তে রীতিমতো চমকে গিয়েছিলেন তাঁর অগণিত ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা।

বাবার আপত্তি ও মায়ের সমর্থন
কাজলের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে অনেকেই তাঁকে সিদ্ধান্ত বদলানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। বেঁকে বসেছিলেন খোদ অভিনেত্রীর বাবা সোমু মুখোপাধ্যায়ও। তাঁর স্পষ্ট কথা ছিল, কেরিয়ারের এই স্বর্ণালী সময়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত বড় একটি ভুল হতে পারে। তবে বাবাকে পাশে না পেলেও মা তনুজা ঠিকই মেয়ের মনের কথা বুঝেছিলেন। মায়ের সেই অকুণ্ঠ সমর্থনই কাজলকে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার সাহস জুগিয়েছিল।

শেষ পর্যন্ত ১৯৯৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি অত্যন্ত ছিমছাম ও ঘরোয়াভাবে নিজেদের বাড়ির ছাদে একে অপরের গলায় মালা দেন কাজল ও অজয়। পরবর্তীকালে অজয়ের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কাজল বলেছিলেন, প্রথম দেখায় তাঁর মনে হয়েছিল অজয়ের অসম্ভব অহংকার বা ‘অ্যাটিটিউড’ রয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই সেই মানুষটিই তাঁর জীবনের ধ্রুবতারা এবং সারা জীবনের সঙ্গী হয়ে ওঠেন।

অনেকের মতে, কেরিয়ারের শীর্ষে থাকা অবস্থায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজল নাকি বলিউডে এক নতুন ট্রেন্ডের সূচনা করেছিলেন। তবে অভিনেত্রী নিজে এই তত্ত্ব মানতে নারাজ। তাঁর মতে, তাঁরও বহু আগে শর্মিলা ঠাকুর কিংবা সায়রা বানুর মতো কিংবদন্তি অভিনেত্রীরা তাঁদের কেরিয়ারের মধ্যগগনেই বিয়ে করেছিলেন এবং বিয়ের পরেও দুর্দান্ত সব কাজ উপহার দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছিলেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *