হঠাৎ বাড়িতে অতিথি এসেছে? ঝটপট অল্প উপকরণেই রেঁধে ফেলুন জিভে জল আনা এই চুনো মাছের রেসিপি, রইল গোপন টিপস

বাঙালি মানেই মাছে-ভাতে বাঙালি। আর ভোজনরসিক বাঙালির কাছে মাছের পদের প্রতি এক আলাদা দুর্বলতা থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। প্রতিদিনের একঘেয়ে আমিষ পদ খেয়ে বোর হয়ে গেলে কিংবা হঠাৎ বাড়িতে অপ্রত্যাশিত অতিথি চলে এলে ঝটপট কী রাঁধবেন ভাবছেন? দুশ্চিন্তা না করে বানিয়ে ফেলুন জিভে জল আনা সুস্বাদু ‘চুনো মাছের মাখামাখা চচ্চড়ি’। খুব সামান্য উপকরণ ও কম সময়েই কীভাবে এই পদটি তৈরি করবেন, দেখে নিন তার সহজ রন্ধনপ্রণালী।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
পাঁচমিশালি ছোট মাছ: আধ কেজি
পেঁয়াজকুচি: ১ কাপ
রসুন বাটা: ১ চা চামচ
শুকনো লঙ্কাবাটা: দেড় টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো: ১ চা চামচ
ধনেগুঁড়ো: আধ চা চামচ
চেরা কাঁচালঙ্কা: ৫-টি
টমেটো কুচি: আধ কাপ
নুন: স্বাদমতো
সর্ষের তেল: রান্নার পরিমাণমতো
সহজ প্রণালী:
১. মাছ প্রস্তুত করা: প্রথমে পাঁচমিশালি ছোট বা চুনো মাছগুলি জল দিয়ে খুব ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন।
২. মাখানো বা ম্যারিনেশন: এবার একটি পাত্রে ধুয়ে রাখা মাছের সঙ্গে পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা, শুকনো লঙ্কা বাটা, হলুদ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, টমেটো কুচি, চেরা কাঁচালঙ্কা, স্বাদমতো নুন এবং পরিমাণমতো সর্ষের তেল একসঙ্গে দিয়ে সমস্ত উপকরণ খুব ভালোভাবে মেখে নিন।
৩. রান্নার পদ্ধতি: এরপর কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করে তাতে ওই মাখানো মাছ ও মশলার মিশ্রণটি ঢেলে দিন। মাঝারি আঁচে অনবরত নাড়াচাড়া করতে থাকুন।
৪. সেদ্ধ করার পর্ব: সমস্ত উপকরণ ভালোভাবে কষে ভাজা ভাজা হয়ে গেলে তার মধ্যে সামান্য পরিমাণে জল ছিটিয়ে দিন। এবার কড়াইটি দু-তিন মিনিটের জন্য ঢাকা দিয়ে রাখুন, যাতে মাছ ও মশলা খুব ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে যায়।
৫. পরিবেশন: ঢাকনা খুলে জল শুকিয়ে মাখা মাখা হয়ে এলে ভালো করে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন। ব্যস, তৈরি আপনার দারুণ সুস্বাদু চুনো মাছের চচ্চড়ি। এবার গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন এই ট্রেডিশনাল বাঙালি পদ।