ময়ূরবিহার থেকে এমস পৌঁছতে আর লাগবে না আধঘণ্টা! সোমবারই খুলছে বহুল প্রতীক্ষিত बारापुला ফ্লাইওভার

দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হতে চলেছে দিল্লির বহুল প্রতীক্ষিত বারাপুলা ফেজ-৩ প্রকল্প। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার) এই মেগা এলিভেটেড করিডরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর ফলে পূর্ব দিল্লি ও দক্ষিণ দিল্লির মধ্যকার যাতায়াত যেমন আরও সুগম হবে, তেমনই সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময়ও অনেকটাই কমে যাবে।

কী বিশেষত্ব এই নতুন করিডরের?

প্রায় ৩.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নতুন এলিভেটেড করিডরটি ময়ূরবিহার ফেজ-১-কে সराय কালে খাঁ-র সঙ্গে যুক্ত করবে। এর মাধ্যমে পূর্ব দিল্লি এবং নয়ডা থেকে আসা যাত্রীরা সরাসরি সরাই কালে খাঁ হয়ে মধ্য ও দক্ষিণ দিল্লির দিকে যাতায়াত করতে পারবেন। সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কটি প্রায় ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে, যা ট্রাফিকের চাপ কমাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

  • সময় বাঁচবে অর্ধেক: সাধারণত ব্যস্ত সময়ে ময়ূরবিহার থেকে এমস (AIIMS) পৌঁছতে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগত। নতুন এই করিডর চালু হওয়ার পর সেই যাত্রাপথ কমে মাত্র ১৫ মিনিটে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সিগন্যাল-ফ্রি যাতায়াত: এই প্রকল্পের জেরে ডিএনডি ফ্লাইওয়ে (DND Flyway), এনএইচ-২৪ (NH-24) এবং রিং রোডের ওপর অতিরিক্ত গাড়ির চাপ অনেকটাই কমবে।

  • আধুনিক সুযোগ-সুবিধা: যমুনার ওপর বিশেষ ব্রিজ স্ট্রাকচারের তৈরি এই রোডে তিনটি লেনের পাশাপাশি আলাদা সাইকেল ট্র্যাক এবং পথচারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। দুই প্রান্তেই মোট আটটি লুপ তৈরি করা হয়েছে, যা বিভিন্ন দিকে যাতায়াতকারী যানবাহনকে দারুণ স্বস্তি দেবে।

দীর্ঘ যাত্রার অবসান

২০১৪ সালে অনুমোদন পাওয়ার পর ২০১৫ সালে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। প্রাথমিক বাজেট থেকে শুরু করে দীর্ঘ আইনি ও প্রযুক্তিগত জট কাটিয়ে অবশেষে এই করিডর চালুর ফলে নোয়েডাবাসী থেকে শুরু করে দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ দারুন উপকৃত হবেন। উদ্বোধনের পর থেকেই এই রুটে সাধারণ যান চলাচল শুরু হয়ে যাবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *