এসআরএফটিআই-এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ! ‘থারাপি দেব, বামেদের ভালোমানুষিকে দুর্বলতা ভাববেন না,’ হুঙ্কার সুকান্ত মজুমদারের

কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট বা এসআরএফটিআই-এর (SRFTI) চত্বরে রবিবারের গোলমালের রেশ কাটেনি সোমবারও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ ক্যাম্পাসের বাইরে ও ভেতরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, গতকালের ঘটনার জেরে প্রশাসনের নীরব প্রতিবাদের পাশাপাশি পঞ্চসায়র থানায় মোট তিনটি পৃথক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ক্যাম্পাসের ভিতরে গাড়ি ভাঙচুর, আয়োজকদের মারধর এবং বিনা প্ররোচনায় ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আইনি লড়াইয়ের প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।

রবিবার ক্যাম্পাসের ভিতরে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত বা এবিজিপি-র একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে চরম হাঙ্গামা ও হাতাহাতির সূত্রপাত হয়। পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের ওপর চড়াও হয়। অন্যদিকে আয়োজকদের দাবি, তাঁদের পূর্বনির্ধারিত ও অনুমোদিত অনুষ্ঠানে বাধা দিয়ে মারধর করা হয়েছে। এই সংঘর্ষের জেরে প্রায় ১০ জন পড়ুয়া আহত হন এবং দীর্ঘক্ষণ ক্যাম্পাসের অন্দরে অবরুদ্ধ হয়ে থাকতে হয় শিক্ষার্থী ও অধ্যাপকদের। উত্তেজনার জেরে প্রথমে পুলিশের গাড়ি ঢুকতে বাধা দেওয়া হলেও পরবর্তীতে বিশাল পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই পুরো ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বাম শিবিরের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। তিনি সাফ ভাষায় জানান, বামেদের ভদ্রতা ও সৌজন্যবোধকে অনেকে এতদিন দুর্বলতা ভেবে এসেছেন। অতিবাম বা ছোট বাম—প্রত্যেকের জন্যই উপযুক্ত ‘থারাপি’ জানা রয়েছে এবং প্রয়োজনে সেই থেরাপিই দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে রবিবারের গোলমালের সময় ভারত মাতা ও স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার গুরুতর অভিযোগও তুলেছে গেরুয়া শিবির। পুজোর প্রাক্কালে এই ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে গোটা শহরের শিক্ষাঙ্গন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *