জোড়াফুল প্রতীক ও নাম কি আর পাবে না মমতা শিবির? নির্বাচন কমিশনকে চরম সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট!

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং সংরক্ষিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে বড় মোড় এল। দলের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর মধ্যকার এই বিবাদের নিষ্পত্তি করতে নির্বাচন কমিশনকে চার মাসের সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট। ফলে আসন্ন পুরনির্বাচনেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে কমিশনের বরাদ্দ করা আলাদা প্রতীক ও নামেই লড়তে হতে পারে বলে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে।
সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বিরোধের সঙ্গে জড়িত পক্ষগুলিকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সামনে নিজেদের লিখিত বক্তব্য ও তথ্য পেশ করতে হবে। এরপর সেই বক্তব্য খতিয়ে দেখে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে কমিশনকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এর আগে নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে সাফ জানিয়ে দিয়েছিল যে, ১৯৬৮ সালের নির্বাচনী প্রতীক আদেশের বিধান অনুযায়ী এই বিবাদের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি জরুরি। সেই কারণে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে দুই পক্ষকেই জোড়াফুল প্রতীক ও মূল নাম ব্যবহার থেকে বিরত রাখা হয়েছে এবং আলাদা প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন এবং পরবর্তীতে নভেম্বরে কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভা ভোট রয়েছে। আদালতের এই রায়ের পর পরিষ্কার হয়ে গেল যে, আপাতত জোড়াফুলের ছাতা ছাড়া ভিন্ন প্রতীকেই নির্বাচনী ময়দানে নামতে হচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের দুই পক্ষকে।