‘বিমান দুর্ঘটনার গল্পটা পুরোটাই সাজানো ছিল!’ নেতাজিকে নিয়ে দাদাগিরির মঞ্চে এ কী বললেন লেখক কুণাল বসু?

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কি সত্যিই ১৯৪৫ সালের বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন, নাকি ছদ্মবেশে ফিরে এসেছিলেন দেশে? ঐতিহাসিক এই রহস্যের আজও কোনো নিখুঁত সুরাহা হয়নি। তবে জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘দাদাগিরি’-র আসন্ন পর্বে অতিথি হিসেবে এসে এই নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক দাবি করলেন বিশিষ্ট গবেষক ও লেখক কুণাল বসু। তাঁর এই সাহসী বক্তব্য ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে।
দাদাগিরির মঞ্চে কুণাল বসুর বিস্ফোরক দাবি: চলতি বছরের বইমেলায় প্রকাশিত কুণাল বসুর আলোচিত বই ‘নেতাজি ফিরেছিলেন’ দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। দাদাগিরির নতুন পর্বে সঞ্চালক দেবের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁর পুরো গবেষণাটিই সুভাষচন্দ্র বসুর ১৯৪৫ সালে দেশে ফেরা ঘিরে। হিটলারের শেষ পরিণতি যেমন আজ পর্যন্ত ধোঁয়াশায় ঢাকা, তেমনই নেতাজির তথাকথিত বিমান দুর্ঘটনাটিও সম্পূর্ণ সাজানো ছিল বলে দাবি করেন তিনি। কুণালের বক্তব্য অনুযায়ী, বিমান দুর্ঘটনাটি আদতে কোথাও ঘটেইনি—না আগে, না পরে। তাইওয়ান সরকারের রিপোর্ট এবং জাস্টিস মনোজ মুখার্জি কমিশনের রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখান থেকে নেতাজি সোজা চলে গিয়েছিলেন মানচুরিয়ায়।
চ্যালেঞ্জের মুখে দেবের প্রতিক্রিয়া: নিজের এই গবেষণার সত্যতা নিয়ে এতটাই আত্মবিশ্বাসী যে, কুণাল বসু প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন যে কেউ তাঁকে চ্যালেঞ্জ করলে তিনি যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত। লেখকের এমন নির্ভীক ও তথ্যসমৃদ্ধ উপস্থাপনা দেখে মুগ্ধ হয়ে যান সঞ্চালক দেব। কুণালের পিঠ চাপড়ে দেব বলেন, “আসলে কেউ দাদাগিরি করে থাকলে তুমি তাঁদের মধ্যে একজন।” সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতিতে দেবের আকর্ষণীয় সঞ্চালনায় জি বাংলার এই নতুন সিজনের ‘দাদাগিরি’ এখন দর্শকদের মনে তুফান তুলেছে, আর রবিবারের এই বিশেষ পর্বটি নিয়ে অনুরাগীদের উন্মাদনা এখন চরমে।