তৃণমূল মৃত আর নির্মূল! নির্বাচন কমিশনের বড় ধাক্কার পরই হুঙ্কার ছাড়লেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি

“তৃণমূল বলে আর কোনো দল নেই, ওরা মৃত!” প্রতীক ফ্রিজ হতেই মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক শমীক ভট্টাচার্য
অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং ঐতিহ্যবাহী ‘জোড়াফুল’ প্রতীক নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ‘ফ্রিজ’ বা স্থগিত হওয়ার পর থেকেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক এই পরিস্থিতিতেই শাসকশিবিরকে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূল বলে আজ আর কোনো রাজনৈতিক দল নেই, তারা সম্পূর্ণ মৃত ও নির্মূল।
এদিন নির্বাচন কমিশনের এই বড় পদক্ষেপ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এটা ওপরওয়ালার বিচার।” অতীতে তৃণমূল সরকারের আমলের বিভিন্ন রাজনৈতিক পদক্ষেপ ও ফতোয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি কটাক্ষ করেন, অতীতে উত্তর ২৪ পরগনা ও ব্যারাকপুর জুড়ে সিঁদুর বা আলতায় পদ্মফুলের ছবি থাকা সামগ্রী বিক্রির ওপর পর্যন্ত অদৃশ্য ফতোয়া জারি করা হয়েছিল। তাঁর মতে, আজ সেই তৃণমূলের নিজস্ব প্রতীক থাকল বা গেল, তাতে সাধারণ মানুষের বিন্দুমাত্র কোনো যায় আসে না।
কী নাম ও প্রতীক পেল দুই শিবির?
তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও প্রতীক সংক্রান্ত মামলার জেরে নির্বাচন প্রতীক আদেশ, ১৯৬৮-এর অধীনে মূল দলীয় নাম ও প্রতীক স্থগিত রাখার পর দুই গোষ্ঠীকে নতুন পরিচয়ে উপনির্বাচনে লড়ার অনুমতি দিয়েছে কমিশন।
-
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির: দলের নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং কমিশনের সিলমোহর পড়া নতুন প্রতীক হলো ‘ফুটবল খেলোয়াড়’।
-
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী: এই দলের নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং তাঁদের বেছে নেওয়া বিকল্প প্রতীকগুলির মধ্যে নির্বাচন কমিশন ‘খাম’ প্রতীকটিতে অনুমোদন দিয়েছে।