৪ লক্ষ কোটিরও বেশি বাজেট! উন্নয়নের জোয়ারে কীভাবে ইতিহাস গড়ল এই রাজ্য?

গত পাঁচ বছরে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, শিল্পায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় উন্নয়নের এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে গুজরাট। ৪.০৮ লক্ষ কোটি টাকার সর্ববৃহৎ বাজেট পেশের পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর, রিন्यूएबल एनर्जी এবং আধুনিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের হাত ধরে রাজ্যটি এখন ভবিষ্যতের প্রযুক্তি-নির্ভর অর্থনীতির দিকে দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

রাজ্যের শিল্পোন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে বিগত পাঁচ বছরে প্রায় ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রিন হাইড্রোজেন, স্পেসটেক, ইলেকট্রনিক্স এবং অ্যাডভান্সড ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের মতো উদীয়মান ক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগের জন্য শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি, চার দফায় আয়োজিত আঞ্চলিক সম্মেলনে মোট ১৭.৪ লক্ষ কোটি টাকার বিশাল বিনিয়োগের মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা রাজ্যের ভারসাম্যপূর্ণ ও সর্বাঙ্গীন বিকাশ নিশ্চিত করছে।

প্রযুক্তি ও বাণিজ্যের পাশাপাশি সুশাসন এবং পরিকাঠামো উন্নয়নেও বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘विकसित भारत @2047’ রূপকল্পের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ‘विकसित गुजरात @2047’ রোডম্যাপ প্রস্তুতকারী দেশের প্রথম রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে গুজরাট। সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই ৬টি বড় প্ল্যান্ট অনুমোদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৩টি প্ল্যান্টে বাণিজ্যিক উৎপাদনও শুরু হয়ে গেছে। এআই এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে ভারত তথা এশিয়ায় নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করছে রাজ্যটি।

অন্যদিকে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জনকল্যাণের ক্ষেত্রেও নজির গড়ছে রাজ্য প্রশাসন। ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC) পাস করার পাশাপাশি নীতি আয়োগের আদলে ‘গ্রিট’ (GRIT) এবং ‘গার্সি’ (GARC) গঠন করে ডেটা-ভিত্তিক নীতি নির্ধারণের পথ প্রশস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, যুবসমাজ ও মহিলাদের কল্যাণে ‘নমো লক্ষ্মী’, ‘নমো সরস্বতী বিজ্ঞান সাধনা’ এবং ‘নমো শ্রী’ যোজনার মতো একাধিক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সফল আয়োজনের পর আগামী দিনে ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমসের মতো আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টের সফল আয়োজনের জন্যও এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত এই রাজ্য।

Saheli Saha
  • Saheli Saha

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *