সহ-অভিনেত্রীর জন্মদিনের পার্টিতে নাচ রণজয়ের? ভাইরাল মুহূর্ত

চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা অভিনেতা রণজয় বিষ্ণুর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ফের শোরগোল শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অতীতে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে বিতর্ক তৈরি করলেও, এবার বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মাথায় স্ত্রী তথা জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্যামোপ্তি মুদলীর সঙ্গে তাঁর ডিভোর্সের গুঞ্জন তুঙ্গে উঠেছে। গুঞ্জন রয়েছে, ‘প্রতীজ্ঞা’ সিরিয়ালের নায়িকা অভীকা মালাকারের সঙ্গে রণজয়ের নতুন সম্পর্কের জেরেই নাকি তাঁর বর্তমান দাম্পত্যে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। ছোটপর্দায় তাঁদের অন-স্ক্রিন কেমিস্ট্রি দর্শকদের ভীষণ পছন্দ হলেও, সেই রসায়ন এবার বাস্তবেও গড়াল কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দুজনেই এই সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে উড়িয়ে দিয়েছেন, তবে সম্প্রতি অভীকার জন্মদিনে রণজয়ের সঙ্গে তাঁর ক্লোজ ডান্স সমস্ত জল্পনাকে উসকে দিয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া অভীকার বার্থডে পার্টির বেশ কিছু ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পার্টিতে একে-অপরের সঙ্গে খোলামেলা ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে বুঁদ হয়ে নাচছেন রণজয় ও অভীকা। সেই নাচের ছন্দে কখনও রণজয়ের কোলে চেপে বসতে দেখা গেছে অভীকাকে, আবার কখনও তাঁরা অত্যন্ত কাছাকাছি এসে নাচছেন। পর্দার বাইরে সহ-অভিনেতার সঙ্গে এমন অতি-ঘনিষ্ঠতা দেখে নেটিজেনদের একাংশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ভিডিও ভাইরাল হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় চরম ট্রোলের মুখে পড়েছেন রণজয়।
রণজয়ের ডিভোর্সের প্রসঙ্গ টেনে এক নেটিজেন কটাক্ষ করে লিখেছেন, “সংসার এই জন্য ভাল লাগে না, শ্যুটিং সেটে তো পরকীয়া করার জিনিস আছে।” আবার কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, “এ কেমন কেমিস্ট্রি? সহ-অভিনেতার কোলে উঠে নাচতে হবে কেন?” নেটিজেনদের একটা বড় অংশ সরাসরি রণজয়ের চরিত্র ও বারবার সম্পর্কে জড়ানোর প্রবণতার দিকেই আঙুল তুলেছেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই অত্যন্ত ধুমধাম করে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন রণজয় ও শ্যামোপ্তি। কিন্তু বিয়ের কয়েক মাস কাটতে না কাটতেই তাঁদের পথ আলাদা হয়ে যাওয়ায় অনুরাগীদের নিশানায় এখন শুধুই রণজয়।
এর আগে ‘গুড্ডি’ ধারাবাহিকে একসঙ্গে কাজ করার সূত্রেই শ্যামৌপ্তি ও রণজয়ের সম্পর্কের গুঞ্জন প্রথম জোরালো হয়েছিল। যদিও বহু দিন সেই সম্পর্ক লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন দুজনে। সামাজিক বিয়ের আগে তাঁরা আইনি বিয়ে সেরে ফেললেও তা গোপনই রেখেছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঘটা করে বিয়ে করার পর তাঁদের এই পরিণতি কেউ ভাবতেই পারেননি। অনেকেই কানাঘুষো করছেন যে এটি নাকি একপ্রকার চুক্তির বিয়ে ছিল। তবে ঠিক কী কারণে তাঁদের সাজানো সংসার ভাঙল, তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি রণজয় বা শ্যামোপ্তি কেউই।