অষ্টম পে কমিশনের মেয়াদের অর্ধেক পথ সমাপ্ত! কোন ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরে ঠিক কত টাকা বাড়বে বেতন? জানুন বিশদে

চলতি বছরের ৩ অগাস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) কার্যক্রম। হিসাব অনুযায়ী ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়ার প্রায় তিন মাস বা নির্ধারিত সময়ের অর্ধেক সময় পার হয়ে গিয়েছে। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বেতন সংশোধন, ভাতা এবং অন্যান্য সমস্ত সুপারিশসহ চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। এর মাঝেই নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করতে আগামী ৩১ অগাস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর জয়পুরে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। ওই বৈঠকেই নির্ধারিত হবে নতুন বেতন কাঠামোয় সংশোধিত বেতনের রূপরেখা।

অতীতে ষষ্ঠ ও সপ্তম বেতন কমিশনের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১.৮৬ এবং ২.৫৭ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর কার্যকর করা হয়েছিল। তবে বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির বাজার এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে মানিয়ে নিতে এনসি-জেসিএম (NC-JCM), এআইডিইএফ (AIDEF) এবং এফএনপিও (FNPO)-র মতো একাধিক বিশিষ্ট কর্মচারী ইউনিয়ন ও পেনশনভোগী সংগঠন অষ্টম বেতন কমিশনের জন্য আরও উচ্চতর ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

এই সম্ভাব্য ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরগুলির ওপর ভিত্তি করে কর্মচারীদের ন্যূনতম বেতন কেমন হতে পারে, তার একটি প্রাথমিক হিসাব সামনে এসেছে। ধরা যাক, কোনো কর্মীর বর্তমান মূল বেতন যদি ২৯,২০০ টাকা হয়, তবে বিভিন্ন ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর অনুযায়ী সম্ভাব্য বেতন হতে পারে নিম্নরূপ:

ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.০০ হলে: ৫৮,৪০০ টাকা

ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.১০ হলে: ৬১,৩২০ টাকা

ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.২৫ হলে: ৬৫,৭০০ টাকা

ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.৫৭ হলে: ৭৫,০৪৪ টাকা

অন্যদিকে, কোনো কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতন যদি ৩৫,৫০০ টাকা হয়, তবে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের তারতম্য অনুযায়ী সেই বেতন বেড়ে যথাক্রমে ৭০,৮০০ টাকা, ৭৪,৩৪০ টাকা, ৭৯,৬৫০ টাকা কিংবা ৯০,৯৭৮ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

তবে কোন নির্দিষ্ট অঙ্কটিকে বা ফ্যাক্টরটিকে চূড়ান্তভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিলমোহর পড়েনি। জয়পুরের আসন্ন বৈঠকে এ বিষয়ে আরও স্পষ্ট চিত্র উঠে আসবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *