সেপ্টেম্বরে কি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে একলাফে ৬০০০ টাকা? অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে রইল বিরাট আপডেট

রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় আর্থিক সহায়তা প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ নিয়ে উপভোক্তাদের মধ্যে কৌতূহল ও প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে। গত জুন মাস থেকেই এই প্রকল্পের টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। জুলাই ও অগাস্ট মাসের পর এবার সেপ্টেম্বর মাসে কোন উপভোক্তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে চলেছেন, তা নিয়ে নানা জল্পনা ও তথ্য সামনে আসছে।

চলতি বছরের অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ১৭ অগাস্ট থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। প্রায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষের বেশি আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই অর্থ সরাসরি (DBT) স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪৭২ জনের অ্যাকাউন্টে এই প্রকল্পের টাকা পৌঁছে গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি মাসের ১ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে যোগ্য উপভোক্তাদের আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা হয়।

সেপ্টেম্বর মাসের ক্ষেত্রে কী নিয়ম প্রযোজ্য, তা নিয়েও স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। সরকারি যাচাই প্রক্রিয়ায় সফলভাবে উত্তীর্ণ এবং যাঁদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত হয়েছে, তাঁরা সেপ্টেম্বরে নিয়মিতভাবে এই প্রকল্পের টাকা পাবেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে যে সমস্ত উপভোক্তা গত মাসে কোনো কারণে টাকা পাননি বা যাঁদের আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’ অবস্থায় ছিল, তাঁরা অগাস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই দুই মাসের বকেয়া মিলিয়ে একসঙ্গে ৬০০০ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। তবে এই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

উল্লেখ্য, অতীতে তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে এই প্রকল্পের নাম ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ থাকলেও বর্তমানে বিজেপি সরকারের জমানায় এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’। এই প্রকল্পের মাসিক অনুদান দেড় হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হয়েছে। যদিও কিছু উপভোক্তার টাকা না পাওয়ার অভিযোগ ছিল, তা আগস্ট মাসে অনেকটাই সমাধান হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে নতুন করে আরও অনেকে এই সুবিধার আওতায় আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। যাঁদের নাম এখনও তালিকায় ওঠেনি বা সমস্ত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও টাকা পাননি, তাঁদের নির্দিষ্ট পোর্টালে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *