ব্রিকস সম্মেলনের ঠিক আগে রাজধানীতে ধুন্ধুমার? CJP-র প্রতিবাদ মিছিল ঠেকানোর আর্জিতে কী জানাল শীর্ষ আদালত?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিবাদ মিছিলকে কেন্দ্র করে দানা বেঁধেছে তীব্র রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উত্তেজনা। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে এই মিছিলের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জরুরি হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হলেও, তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে আদালত।
সুপ্রিম কোর্টে কী সওয়াল ও পর্যবেক্ষণ? আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবী আদালতে জোরালো সওয়াল করে জানান যে, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে আন্তর্জাতিক ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তার ঠিক আগে এই ধরনের স্পর্শকাতর মিছিল বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এমনকি গত জুলাই মাসের সংসদ অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, আবারও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতে পারে।
তবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনা-কে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগে থেকেই কোনো বড় অঘটনের আশঙ্কা ধরে নেওয়া আদালতের পক্ষে সম্ভব নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্পূর্ণভাবে পুলিশ ও সরকারের এক্তিয়ারভুক্ত বিষয়।
মিছিলের আগের শুনানিতে নারাজ আদালত: আবেদনকারী যতই ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মামলার জরুরি শুনানির আর্জি জানান না কেন, শীর্ষ আদালত তা নাকচ করে মামলাটি আগামী ১০ সেপ্টেম্বর তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে নির্ধারিত দিনে মিছিল হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বজায় থাকলেও, আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব পুলিশ ও প্রশাসনেরই।