পুজোর মরসুমে পাহাড়ের কোলে আসছে এক দারুণ চমক! শতাব্দীপ্রাচীন রেলপথে ঠিক কোন নতুন অভিজ্ঞতা জুড়তে চলেছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে?

পুজোর মরসুমের আগেই পাহাড়মুখী পর্যটকদের জন্য এক আকর্ষক উপহার নিয়ে হাজির হচ্ছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (DHR)। পর্যটকদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে কার্শিয়াং ও মহানদীর মধ্যে খুব শীঘ্রই চালু হতে চলেছে সম্পূর্ণ নতুন একটি টয় ট্রেন পরিষেবা, যার নামকরণ করা হয়েছে ‘মুক্তধারা এক্সপ্রেস’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত নাটক ‘মুক্তধারা’ এবং পাহাড়ের স্থানীয় জলপ্রপাতের ঐতিহ্যকে একসূত্রে বেঁধে এই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের অধিকর্তা ঋষভ চৌধুরী জানিয়েছেন, আসন্ন পুজো উপলক্ষে দার্জিলিং ও ঘুমের মধ্যে বিশেষ চারটি টয় ট্রেন চালানোর পাশাপাশি কার্শিয়াং থেকে মহানদীর মধ্যে এই ‘মুক্তধারা এক্সপ্রেস’ চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যটকরা যাতে পাহাড়ি প্রকৃতির আসল রূপ উপভোগ করতে পারেন, তার জন্য স্টিম এবং ডিজেল—উভয় ধরনের ইঞ্জিন দিয়েই এই ট্রেনটি চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, এই নামকরণের নেপথ্যেও রয়েছে এক সুন্দর ইতিহাস। শিলিগুড়ি থেকে কার্শিয়াং যাওয়ার পথে তিনধরিয়ার কাছে বিখ্যাত ‘পাগলা ঝোরা’ জলপ্রপাতটি স্থানীয়ভাবে ‘মুক্তধারা’ নামেই পরিচিত। সেই জলপ্রপাতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বিশ্বকবির সৃষ্টিকে সম্মান জানিয়ে রেলের ঐতিহ্যের সঙ্গে পাহাড়ের সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটানোর এই প্রয়াস নিঃসন্দেহে পর্যটকদের মনে আলাদা জায়গা করে নেবে।
সংবাদের মূল হাইলাইটস
নতুন পরিষেবা: পুজোর আগেই কার্শিয়াং ও মহানদীর মধ্যে পর্যটকদের জন্য চালু হচ্ছে ‘মুক্তধারা এক্সপ্রেস’ নামক নতুন টয় ট্রেন।
নামকরণের প্রেক্ষাপট: তিনধরিয়ার স্থানীয় ‘পাগলা ঝোরা’ বা ‘মুক্তধারা’ জলপ্রপাত এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টিকে মাথায় রেখে এই নামকরণ।
বিশেষ আকর্ষণ: পাহাড়ি রেলের ঐতিহ্য বজায় রাখতে স্টিম ও ডিজেল—উভয় ইঞ্জিন দিয়েই ট্রেনটি চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
পুজোর উপহার: দার্জিলিং ও ঘুমের মাঝে বিশেষ টয় ট্রেনের পাশাপাশি এই নতুন পরিষেবা পাহাড়ের পর্যটনে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।