সন্তানের হাতে বেশিক্ষণ দিচ্ছেন স্মার্টফোন? একটু সাবধান না হলে বড়সড় বিপদের মুখে পড়ছে আপনার সন্তান!

বর্তমান ডিজিটাল যুগে পড়াশোনা থেকে শুরু করে বিনোদন—সবক্ষেত্রেই খুদেদের জীবন জড়িয়ে গেছে কম্পিউটার ও স্মার্টফোনের সঙ্গে। কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় গ্যাজেট ব্যবহারের অভ্যাস শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করছে। চিকিৎসকমহল ও শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আসক্তি কেবল চোখের বারোটা বাজাচ্ছে না, বরং ডেকে আনছে বড় ধরনের মানসিক বিপর্যয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, শিশুদের বয়সভিত্তিক স্ক্রিনটাইম নির্দিষ্ট করে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত ২ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে ডিজিটাল স্ক্রিন সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত। অন্যদিকে, ২ থেকে ৫ বছরের শিশুদের জন্য দৈনিক ১ ঘণ্টার বেশি স্ক্রিনটাইম কোনোভাবেই অনুমোদিত নয়। বড়দের ক্ষেত্রেও একটানা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহারের ফলে স্থূলতা, মনোযোগের অভাব, অনিদ্রা এবং মানসিক অবসাদের মতো জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই সময় থাকতেই সচেতন না হলে এই ডিজিটাল আসক্তি আগামী দিনে শিশুদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকার করে তুলতে পারে। অভিভাবক হিসেবে এখনই সতর্ক হওয়া এবং সন্তানের দৈনিক রুটিনে খেলাধুলা ও পঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপের অভ্যাস গড়ে তোলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *