সম্পর্কে আপনি শুধু ‘ব্যবহার’ হচ্ছেন না তো? সঙ্গীর এই ৬টি আচরণ দেখলেই বুঝবেন আপনার ভালোবাসার অপব্যবহার হচ্ছে!

যেকোনো সম্পর্কের ভিত্তি হলো পারস্পরিক ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং সম্মান। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, একটি সম্পর্কে একজন মানুষ নিঃস্বার্থভাবে সবটা উজাড় করে দিলেও অন্যজন কেবল নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্যই সেই সম্পর্কটিকে টিকিয়ে রেখেছেন। সহজ কথায়, আপনি অজান্তেই রিলেশনশিপে ‘ব্যবহার’ বা ম্যানিপুলেট হচ্ছেন। সঙ্গীর এই ধরনের মানসিকতা অনেক সময়ই মানুষ বুঝতে পারেন না, যা পরবর্তীতে গভীর মানসিক আঘাতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
মনোবিদ ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সম্পর্কে নিজের মানসিক শান্তি বজায় রাখতে এবং ব্রেকথ্রু পাওয়ার জন্য কয়েকটি স্পষ্ট লক্ষণ চিনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। আপনার সম্পর্কেও এমন কিছু ঘটছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে দেখে নিন এই ৬টি প্রধান লক্ষণ:
কেবল নিজের প্রয়োজনে যোগাযোগ: আপনার সঙ্গী কি কেবল তখনই আপনার খোঁজ নেন বা যোগাযোগ করেন, যখন তাঁর নিজের কোনো কাজ বা সাহায্যের প্রয়োজন হয়? বাকি সময় তিনি আপনার খোঁজই রাখেন না—এমনটা ঘটলে সতর্ক হন।
আপনার অনুভূতির মূল্য না দেওয়া: আপনার আবেগ, কষ্ট বা পছন্দ-অপছন্দের প্রতি সঙ্গীর কোনো মাথাব্যথা নেই। তিনি কেবল নিজের সুবিধে ও চাহিদাকেই প্রাধান্য দেন।
শুধু একতরফা ত্যাগ স্বীকার: সম্পর্কের চাকা সচল রাখতে সব সময় কি আপনাকেই কম্প্রোমাইজ বা ছাড় দিতে হয়? সঙ্গী নিজের আরাম বা সুবিধা একটুও বিসর্জন দিতে নারাজ।
কথায় কথায় উপহার বা সুবিধার দাবি: আপনার আবেগ বা ভালোবাসার চেয়ে আপনি তাঁকে কতটা আর্থিকভাবে বা অন্য কোনো উপায়ে সুবিধা দিচ্ছেন, সেটাই যেন তাঁর কাছে মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়।
বন্ধুবান্ধব বা পরিবার থেকে দূরে রাখা: আপনাকে নিজের জীবনে তিনি কেবল একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যেই আটকে রাখেন। নিজের বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সামনে তিনি আপনাকে পরিচয় করাতে লজ্জা বোধ করেন বা লুকিয়ে রাখেন।
সব সময় নিজের শর্তে চলা: সম্পর্কের সমস্ত সিদ্ধান্ত তাঁর নিজের শর্তে ও সুবিধামতো পরিচালিত হয়। আপনার মতামত বা ইচ্ছার সেখানে কোনো দামই থাকে না।
সম্পর্ক নিয়ে এমন জটিল পরিস্থিতিতে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া এবং নিজের আত্মসম্মান বজায় রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। নিজের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিয়ে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।