পুজোর আগেই বড় ঘোষণা! বেকারভাতা দ্বিগুণ করল রাজ্য, কীভাবে পাবেন ‘যুবশক্তি ভরসা কার্ড’? জেনে নিন খুঁটিনাটি

বাংলার শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য সুখবর! ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে সরকার গঠনের পরেই রাজ্যজুড়ে চালু হতে চলেছে ‘যুবশক্তি ভরসা কার্ড’ (Banglar Yuva Shakti) প্রকল্প। রাজ্য বাজেটে এই প্রকল্পের ঘোষণা আগেই করা হয়েছিল, আর এবার পুজোর মরশুমের আগেই সেই প্রকল্প রূপায়ণের তোড়জোড় শুরু করে দিল প্রশাসন।
কারা কত টাকা পাবেন?
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর মাস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হচ্ছে এই নতুন প্রকল্প। এর মাধ্যমে রাজ্যের স্নাতক সম্পন্ন করা বেকাররা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা এবং মাধ্যমিক পাস অথচ স্নাতক নন এমন বেকাররা মাসে ২,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। উল্লেখ্য, বর্তমানের যুবশ্রী এবং যুবসাথী প্রকল্পকে একত্রিত করে এই নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে। আগের প্রকল্পগুলোতে যেখানে উপভোক্তারা মাসে মাত্র ১,৫০০ টাকা করে পেতেন, নতুন এই প্রকল্পে সেই সহায়তার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আবেদনের জরুরি নিয়ম ও শর্তাবলী:
আবেদনকারীর বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
ন্যূনতম মাধ্যমিক পাস হতে হবে।
পরিবারের মাসিক আয় এক লক্ষ টাকার নিচে হতে হবে।
আবেদনকারীর নিজস্ব একটি সক্রিয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে, যা [আপনার আধার নম্বর redacted] বা অন্য কোনো বৈধ পরিচয়পত্রের সাথে লিঙ্ক করা থাকা আবশ্যক।
আবেদন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় নথি:
সূত্রের খবর, দুর্গাপুজোর আগেই এই প্রকল্পের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করা হবে। ডিবিটি (DBT) বা ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। আবেদনের জন্য প্রার্থীকে প্রয়োজনীয় ছবি, ভোটার কার্ড, [আপনার আধার নম্বর redacted], জন্ম শংসাপত্র, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে। ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে অরিজিনাল বা প্রভিশনাল সার্টিফিকেটও প্রয়োজন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যতদিন পর্যন্ত একজন কর্মহীন যুবক বা যুবতীর স্থায়ী কর্মসংস্থান না হচ্ছে, ততদিন সরকার তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। খুব শীঘ্রই আবেদন প্রক্রিয়া ও গাইডলাইন নিয়ে সরকার থেকে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই যোগ্য প্রার্থীদের এখন থেকেই প্রয়োজনীয় নথিপত্র গুছিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।