মাঝরাতে মারাত্মক কাণ্ড! কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে মহুয়া মৈত্রকে হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

স্বাধীনতা দিবসের ঠিক আগের রাতে কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে হেনস্থা করার মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে চরম চাপানউতোর শুরু হয়েছে। পুরো ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ইতিমধ্যেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে একটি বিস্তারিত চিঠি পাঠিয়েছেন ক্ষুব্ধ সাংসদ। শুধু তাই নয়, শুক্রবার রাতে এই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ করার এবং আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার জোরালো হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। মহুয়া মৈত্রের সরাসরি অভিযোগ, সম্পূর্ণভাবে শাসক দলের অঙ্গুলিহেলনেই তাঁকে হেনস্থা করার এই হীন চক্রান্ত করা হয়েছে।
কী ঘটেছিল সার্কিট হাউসে?
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে হঠাৎ করেই এই অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য করে যেভাবে হেনস্থার পরিবেশ তৈরি করা হয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার গভীরতা বুঝতে পেরে বিষয়টিকে হালকাভাবে না নিয়ে সরাসরি লোকসভার স্পিকারের দরবারে নালিশ জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে শুক্রবার রাতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, যারা এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আইনি লড়াই ও আদালতের পথ বেছে নেওয়া হবে।
শাসক দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
এই ঘটনার পর থেকেই রাজ্যের শাসক শিবির ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মহুয়া মৈত্রের দাবি, দলীয় ইন্ধন ও নির্দিষ্ট মহলের প্রত্যক্ষ সাহায্য ছাড়া সার্কিট হাউসের মতো একটি সুরক্ষিত স্থানে এই ধরনের ঘটনা ঘটা অসম্ভব। স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি জাতীয় উৎসবের রাতে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির সঙ্গে এমন আচরণকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে গোটা কৃষ্ণনগর সহ রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠেছে।