ফের অশান্ত বাংলাদেশ! শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বৈঠকের পরপরই মাগুরায় শাকিব আল হাসানের পৈতৃক বাড়িতে হামলা

প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে ফের একবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠল রাজনৈতিক হিংসা ও অশান্তি। বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সফল প্রাক্তন অধিনায়ক তথা আওয়ামী লিগের বিতর্কিত নেতা ও প্রাক্তন সাংসদ শাকিব আল হাসানের পৈতৃক বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটল। তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে শুধু ভাঙচুরই চালানো হয়নি, বরং পেট্রোল বোমা ছোড়ার পাশাপাশি লোহার গেটে আগুন ধরিয়ে দেওয়ারও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

ঠিক কী ঘটেছিল বুধবার রাতে?
খেলার মাঠ থেকে অবসর নেওয়ার পর রাজনীতিতে যোগ দিয়ে সোজা আওয়ামী লিগের টিকিটে সাংসদ হয়েছিলেন শাকিব আল হাসান। তবে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই তিনি কার্যত আড়ালে চলে যান।

ঘটনার দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার (৫ অগস্ট) রাতে দিল্লিতে পলাতক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই ভিডিওয় প্রথম সারিতে শাকিব আল হাসানকেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। আর এই ভার্চুয়াল বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি প্রকাশ্যে আসার ঠিক পরপরই মাগুরায় তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী।

জানা গিয়েছে, রাত আটটা বেজে পঁয়তাল্লিশ মিনিট নাগাদ শাকিব আল হাসানের মাগুরার কেশবমোড়ের পৈতৃক বাড়িতে চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। প্রথমে বাড়িটি লক্ষ্য করে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় এবং বেশ কয়েকটি পেট্রোল বোমা ছোড়া হয়। এরপর দুষ্কৃতীরা সুকৌশলে বাড়ির মূল লোহার গেটে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে এই আকস্মিক হামলার ঘটনায় সৌভাগ্যবশত এখনও পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার
এদিকে, এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই এদিন ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক থেকে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছেন যে, তিনি সমস্ত ভয় ও আশঙ্কাকে দূরে সরিয়ে আগামী ডিসেম্বর মাসেই নিজের দেশে ফিরে যাবেন। যদিও তিনি নিশ্চিতভাবে ঠিক কত তারিখে ফিরবেন, সে বিষয়ে কিছু জানাননি। তবে গ্রেফতারি কিংবা মৃত্যুর মতো চরম ঝুঁকিকেও পরোয়া না করে তাঁর দেশে ফেরার এই ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

Saheli Saha
  • Saheli Saha

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *