গ্লাসগো থেকে এল পতাকা, আমেদাবাদে নতুন মানদণ্ড গড়তে প্রস্তুত গুজরাত! তুঙ্গে ২০৩০ গেমসের তোড়জোড়

২০১০ সালে প্রথমবার নয়াদিল্লিতে সফলভাবে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের পর, দীর্ঘ কুড়ি বছর বাদে ২০৩০ সালে ফের ভারতে বসতে চলেছে কমনওয়েলথ গেমসের (2030 Commonwealth Games) আসর। আর এই মেগা টুর্নামেন্টের সফল আয়োজনের লক্ষ্যে এবার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করে দিল গুজরাত সরকার। সম্প্রতি গ্লাসগোতে সমাপ্ত হওয়া কমনওয়েলথ গেমসের মঞ্চ থেকে ভারতের হাতে অফিশিয়ালি পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছে, যা বুধবার এসে পৌঁছাল সোজা গান্ধীনগরে।
মুখ্যমন্ত্রীর হাতে পতাকা হস্তান্তর: বুধবার গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল-এর হাতে কমনওয়েলথ গেমসের পতাকা তুলে দেন উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাঙ্ঘভি। গত রবিবার গ্লাসগোর সমাপনী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাঙ্ঘভি। সেখানে কমনওয়েলথ গেমস ফেডারেশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের হাতে পতাকা তুলে দেয়। সেই অনুষ্ঠানে উপমুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেশের গর্ব অলিম্পিক্সে সোনাজয়ী জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া এবং ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পি টি ঊষাও উপস্থিত ছিলেন।
গান্ধীনগরের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে এবারের কমনওয়েলথ গেমসে অংশগ্রহণকারী গুজরাতের প্যারা অ্যাথলিট রাকেশ ভাট, রোহিত মাজগুল এবং প্যারা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় সোনাল প্যাটেলরাও উপস্থিত ছিলেন। এই ঐতিহাসিক পতাক হস্তান্তরের মাধ্যমেই ২০৩০ সালের গেমস আয়োজনের প্রতীকী ও দাপ্তরিক যাত্রা শুরু হলো।
আমেদাবাদে নতুন মানদণ্ড গড়ার প্রত্যয়: ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক শহর হিসেবে আমেদাবাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এপ্রসঙ্গে ‘এক্স’ হ্যান্ডলে মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল লিখেছেন, “গ্লাসগোয় ৩৯টি পদক জিতে ভারতকে গর্বিত করার জন্য আমাদের সকল ক্রীড়াবিদ ও প্যারা ক্রীড়াবিদকে অভিনন্দন। তাঁদের নিষ্ঠাকে সঙ্গী করেই আমরা ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমসকে একটি ঐতিহাসিক সাফল্যে পরিণত করতে প্রস্তুত।” অন্যদিকে, আমেদাবাদ বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাঙ্ঘভি জানিয়েছেন যে, আগামী ২০৩০ সালের এই ক্রীড়া মহাযজ্ঞ অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে এবং অ্যাথলিটদের জন্য সর্বোচ্চ মানের পরিকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সর্বতোভাবে বদ্ধপরিকর আমেদাবাদ।