১ আগস্ট থেকে খুলছে লক্ষ্মী যোজনার পোর্টাল! একনজরে জেনে নিন কারা পাবেন এই প্রকল্পের সুবিধা

বাংলার মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মাঝেই পয়লা আগস্ট থেকে চালু হতে চলেছে নতুন ‘লক্ষ্মী যোজনা’ (Lakshmi Yojana), যেখানে আবেদন করলে মহিলারা মাসে ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। এই দুই প্রকল্প ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই সাধারণ মহিলাদের মনে সবথেকে বড় প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে— যাঁরা ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩,০০০ টাকা পাচ্ছেন, তাঁরা কি একই সঙ্গে লক্ষ্মী যোজনার সুবিধাও পাবেন?
লক্ষ্মী যোজনা ও এর বিশেষ শর্তাবলি
মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলতে সম্প্রতি দিল্লি সরকারের মন্ত্রিসভায় ‘লক্ষ্মী যোজনা’-র প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১ আগস্ট থেকে এই প্রকল্পের নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টাল খুলে যাবে, যেখানে যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। সরকারের লক্ষ্য রয়েছে আসন্ন রাখি পূর্ণিমার আগেই সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা পৌঁছে দেওয়া।
তবে এই প্রকল্পের টাকা তোলার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ নিয়ম ধার্য করা হয়েছে। প্রশাসনের এক আধিকারিকের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে বরাদ্দ ২,৫০০ টাকার মধ্যে ১,০০০ টাকা সরাসরি নগদ তোলা সম্ভব হবে। কিন্তু বাকি ১,৫০০ টাকা সুবিধাভোগীর নামে একটি রেকারিং ডিপোজিট (RD) হিসেবে জমা থাকবে। এই সঞ্চিত অংশে তিন বছরের একটি ‘লক-ইন পিরিয়ড’ (Lock-in Period) থাকবে, অর্থাৎ তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগে ওই ১,৫০০ টাকা তোলা যাবে না।
দুই প্রকল্পের সুবিধা কি একসঙ্গে মিলবে?
যেহেতু অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার এবং লক্ষ্মী যোজনা সম্পূর্ণ আলাদা প্রশাসন ও কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়, তাই একটির সুবিধা পাওয়া মানেই অন্যটির সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলে যাবে না। তবে প্রশাসন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অন্নপূর্ণার টাকা পাওয়ার কারণে লক্ষ্মী যোজনার জন্য আবেদন করা যাবে না— এমন কোনও নিষেধাজ্ঞা বা নির্দেশিকা এখনও পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি। নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত পূরণ করে পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন যাচাইয়ের পরই এই বিষয়ে চূড়ান্ত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে।