“NEET বিক্ষোভের নামে হিংসা চালালে বিপদ!”-পাসপোর্ট বাতিলের হুঁশিয়ারি পুলিশের

দিল্লির আন্দোলন নিয়ে এবার সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, দিল্লির এই আন্দোলনে রয়েছে পাকিস্তানি যোগ! কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে এমনই জোরালো প্রমাণ এসেছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পাকিস্তানের বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে দিল্লির এই আন্দোলনের পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালানো হচ্ছে এবং সেখান থেকেই মূলত উস্কানি দেওয়া হচ্ছে।
সূত্রের দাবি, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে এসেছে ৪০০-রও বেশি ‘এক্স’ (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডেল। এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে লাগাতার আন্দোলনের নামে উস্কানি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সেই সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলি দ্রুত বন্ধ করার ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্র।
এদিকে, দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র নেতৃত্বে চলা বিক্ষোভের সময় হিংসা ও ভাঙচুরে জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে রাজধানী দিল্লি পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, বিক্ষোভ চলাকালীন কেউ যদি হিংসা বা দাঙ্গায় জড়িত অবস্থায় ধরা পড়েন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা তো নেওয়া হবেই, পাশাপাশি তাঁদের পাসপোর্ট বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু করা হতে পারে।
দিল্লি পুলিশের শীর্ষকর্তারা সাফ জানিয়েছেন, রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করা বা হিংসাত্মক ঘটনায় যুক্ত কাউকে রেয়াত করা হবে না। যাঁরা সরাসরি হিংসায় ইন্ধন জোগাচ্ছেন, তাঁদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে দিল্লির যন্তর-মন্তরে CJP-র ব্যানারে বিক্ষোভ চলছে। গত সোমবার সংসদ অভিমুখে মিছিল করার চেষ্টা করতেই পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের তীব্র সংঘর্ষ বাধে। এই অনভিপ্রেত ঘটনায় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী ও পুলিশকর্মী আহত হন।
তবে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, যাঁরা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও রকম পদক্ষেপ করা হবে না। কেবলমাত্র যারা সরাসরি হিংসা, দাঙ্গা বা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার মতো ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই কঠোরতম আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।