দল ছাড়লেও আর ফেরা নেই! ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে একুশের মঞ্চে চরম হুংকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

‘আসল তৃণমূল’ আসলে কারা? এই প্রশ্নের মীমাংসা এখনও ঝুলে রয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে। তবে তার আগেই একুশে জুলাইয়ের শহিদ স্মরণের মঞ্চ থেকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে চড়া সুরে আক্রমণ শানালেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় পন্থী ‘নব তৃণমূল’ শিবিরকে এদিন তীব্র আক্রমণ করে ‘সাইনবোর্ড’ বলে কটাক্ষ করার পাশাপাশি স্লোগান বদল করলেন খোদ মমতা।

প্রতি বছরই একুশের সমাবেশের শেষে চেনা ছন্দে স্লোগান দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিনের মঞ্চের শেষ লগ্নে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ!’ অন্যদিকে, பெரும்பাল বিধায়ক ও দলের সিংহভাগ পদাধিকারী নিজেদের দিকে রয়েছে— এই যুক্তিতে শুরু থেকেই নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করে আসছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। শুধু তাই নয়, মেয়ো রোডের সভা থেকে আত্মবিশ্বাসী ঋতব্রত দাবি করেন যে, দলের নাম ও প্রতীক তো বটেই, এমনকি দলীয় তহবিলও তাঁদের দখলেই আসতে চলেছে। নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃতি মিললে সেই তহবিল থেকেই প্রতি মাসে ২১ জুলাইয়ের শহিদ পরিবারগুলিকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।

তবে এই সমস্ত পালটা দাবিকে পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ঋতব্রত পন্থী তৃণমূলেও খুব শীঘ্রই ভাঙন ধরাবে দল। একইসঙ্গে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যাঁরা একসময় দল ছেড়ে চলে গিয়েছেন, তাঁদের আর ঘরের মাঠে ফেরানো হবে না। একুশের মঞ্চে এই দুই শিবিরের বাকযুদ্ধ ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *