বিয়ের সাড়ে ৩ মাসেই মা! প্রাক্তন বৌদির মাতৃত্ব নিয়ে সায়কের রহস্যময় মন্তব্য, টলিপাড়ায় শোরগোল

অভিনেত্রী তথা উদ্যোগপতি সুস্মিতা রায়ের মা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই টলিপাড়ায় এখন জোর চর্চা। শুভাশিস দে-র সঙ্গে বিয়ের মাত্র সাড়ে তিন মাসের মাথায় সুস্মিতার এই মাতৃত্বকে ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে তৈরি হয়েছে প্রবল কৌতূহল ও বিতর্ক। আর এই বিতর্কের আঁচ গিয়ে পৌঁছাল সুস্মিতার প্রাক্তন দেওর তথা জনপ্রিয় অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল পর্যন্ত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনের তোপ
সম্প্রতি সায়ক চক্রবর্তী ফেসবুকে নিজের কিছু ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘আমি আর কী বলব তোমরাই বলো’। ব্যাস, এই ক্যাপশনকে কেন্দ্র করেই এক নেটিজেন সুস্মিতার ব্যক্তিগত জীবনের হিসেব টেনে কমেন্ট বক্সে সরাসরি আক্রমণ করেন। ওই ব্যবহারকারী লেখেন, “ডিভোর্সের ৬ মাসের মধ্যে বিয়ে, আবার বিয়ের ৩.৫ মাসের মাথায় সন্তান! মানুষ সব বোঝে। কে ভালো, আর কে খারাপ—সবই পরিষ্কার।”

সায়কের নীরবতায় হাজারো ইঙ্গিত
প্রাক্তন বৌদির ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে এমন আক্রমণাত্মক মন্তব্যের মুখে চুপ থাকেননি সায়ক। তবে তিনি কোনো কাদা ছোড়াছুড়িতে না গিয়ে অত্যন্ত পরিপক্বতার পরিচয় দিয়েছেন। ওই নেটিজেনের মন্তব্যের উত্তরে সায়ক লিখেছেন, “বেশি কথা না বাড়িয়ে শুধু দেখে যাওয়াই শ্রেয়।” সাথে জুড়ে দিয়েছেন মুখ বন্ধ রাখার একটি ইমোজি। সায়কের এই সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া বুঝিয়ে দিচ্ছে, প্রাক্তন বৌদির সাম্প্রতিক জীবনযাত্রা নিয়ে হয়তো অনেক কিছুই বলার আছে তাঁর, কিন্তু আপাতত বিতর্কে না জড়িয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করাকেই তিনি শ্রেয় মনে করছেন।

বিতর্কের সূত্রপাত কোথায়?
সুস্মিতা রায় সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন, দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষা ও অতীতের এক মর্মান্তিক অভিজ্ঞতার পর এই সন্তান তাঁর কাছে এক ‘অলৌকিক আশীর্বাদ’। কিন্তু নেটিজেনদের একাংশ বিষয়টি সহজভাবে নিতে পারছেন না। সব্যসাচী চক্রবর্তীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর দ্রুত নতুন বিয়ে এবং বিয়ের মাত্র সাড়ে তিন মাসের মাথায় সন্তান প্রসবের ‘টাইমিং’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

সায়কের এই ‘চুপচাপ দেখে যাওয়ার’ পরামর্শ এখন টলিপাড়ার গুঞ্জনকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অভিনেত্রী সুস্মিতা রায়ের তরফ থেকে এই মন্তব্যের কোনো পাল্টা জবাব আসবে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *