ভক্তের চুমু নাকি কামড়? প্রসেনজিতের ঠোঁট ছিঁড়ে যাওয়ার সেই ভয়ানক অভিজ্ঞতার কথা শুনলে চমকে যাবেন!

টলিউডের ‘ইন্ডাস্ট্রি’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দর্শকদের হৃদয়ে রাজত্ব করছেন তিনি। তাঁর ফ্যান ফলোয়িং নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে এই স্টারডমের আড়ালে যে মাঝে মাঝে কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় তারকাদের, সম্প্রতি তা নিজেই ফাঁস করলেন খোদ ‘বুম্বাদা’।
সোনালী সিনেমা হলের সেই দিন
ঘটনাটি ১৯৯২ সালের। প্রসেনজিৎ ও দেবশ্রী রায় অভিনীত সুপারহিট ছবি ‘পুরুষোত্তম’ তখন বক্স অফিসে তোলপাড় করছে। ছবির প্রচারের জন্য ডানলপের বিখ্যাত ‘সোনালী’ সিনেমা হলে সশরীরে উপস্থিত হয়েছিলেন অভিনেতা। প্রিয় তারকাকে চোখের সামনে পেয়ে হল চত্বরে তখন জনসমুদ্র। নিরাপত্তারক্ষীদের কড়া বলয় ভেদ করে অনুরাগীরা ক্রমশ এগিয়ে আসছিলেন প্রিয় অভিনেতার দিকে।
কী ঘটেছিল সেই মুহূর্তে?
ভিড়ের মধ্য থেকে আচমকাই এক পুরুষ অনুরাগী প্রসেনজিতের অত্যন্ত কাছাকাছি চলে আসেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভালোবাসার আবেগে অন্ধ হয়ে ওই ব্যক্তি সরাসরি বুম্বাদার ঠোঁটে এক ‘মারাত্মক’ চুমু খেয়ে বসেন! অভিনেতা জানিয়েছেন, সেই চুমুর তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ওই ব্যক্তির দাঁতের কামড়ে তাঁর ঠোঁটের খানিকটা মাংস কেটে রীতিমতো ঝুলে গিয়েছিল। মুহূর্তের মধ্যে রক্তে ভেসে যায় মুখ, প্রচণ্ড যন্ত্রণায় তখন ছটফট করছিলেন পর্দার ‘পুরুষোত্তম’।
এখনও হাসি পায় বুম্বাদার
সম্প্রতি এক আড্ডায় পুরোনো দিনের সেই রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে হেসে ফেলেছেন অভিনেতা। তিনি জানান, ভক্তদের এই উন্মাদনা যেমন একদিকে ভয়ের, তেমনই অন্যদিকে অত্যন্ত প্রাপ্তিরও। রুপোলি পর্দার রোমান্টিক হিরোর প্রতি দর্শকদের এই পাগলামি বা ‘কামড় দেওয়া ভালোবাসা’ যে টলিপাড়ার ইতিহাসে এক অদ্ভুত ও মুচমুচে অধ্যায় হয়ে থাকবে, তা বলাই বাহুল্য।
ভক্তের এই অদ্ভুত ভালোবাসা নিয়ে প্রসেনজিতের এই স্মৃতিচারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন বেশ চর্চায়।