বৃষ্টির ঘাটতি আরও বাড়ছে? নতুন আপডেটে কপালে ভাঁজ কৃষকদের, কী জানাল আবহাওয়া দফতর?

বর্ষার গতিপ্রকৃতির ওপর নির্ভর করে দেশের অর্থনীতি থেকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। একদিকে যেমন কৃষকরা ভালো ফসলের আশায় বর্ষার অপেক্ষায় থাকেন, তেমনই শেয়ার বাজারের গতিবিধিও অনেকাংশে বর্ষার পূর্বাভাসের ওপর নির্ভরশীল। তবে এ বছর বর্ষা নিয়ে যে পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে, তা রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বিশেষজ্ঞ মহলে।
বৃষ্টির ঘাটতি আরও বাড়ছে:
চলতি বছরের এপ্রিলে আবহাওয়া দফতর পূর্বাভাস দিয়েছিল যে, ভারতে এবার স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হবে। সেই সময় ৯২ শতাংশ বৃষ্টির কথা বলা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিকতম আপডেটে আবহাওয়া দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই সম্ভাবনা আরও কমে ৯০ শতাংশের কাছাকাছি নেমে এসেছে। অর্থাৎ, আগের পূর্বাভাসের চেয়ে এবার বৃষ্টির পরিমাণ আরও কম হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।
এল নিনো-র কোপ ও সময়সীমা:
ভারতে জুন থেকে সেপ্টেম্বর—এই চার মাসকে বর্ষার মরশুম ধরা হয়। আবহাওয়া বিদদের মতে, বর্ষার প্রথম দিকে অর্থাৎ জুন এবং জুলাই মাসে বৃষ্টির পরিমাণ মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও, বিপত্তি বাড়বে অগাস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে। এই সময়েই ‘এল নিনো’-র প্রভাব শুরু হতে পারে, যার ফলে দেশের দ্বিতীয় ভাগে বৃষ্টির ঘাটতি অনেকটাই বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মৌসুমী বায়ু এবার ৯০ শতাংশ বৃষ্টিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।
তাপপ্রবাহের সতর্কতা:
বর্ষা নির্দিষ্ট সময়ে প্রবেশ করলেও স্বস্তি মিলছে না অনেক জায়গায়। জুন মাসে বর্ষা এলেও উত্তরপ্রদেশ, বিহার, হরিয়ানা, পঞ্জাব, ওড়িশা, ছত্তিসগড়, গুজরাট ও অন্ধ্রপ্রদেশের মতো রাজ্যে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বর্ষার মরশুমেও এই তাপপ্রবাহ সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।