৩৯-এর ছেলে, ৪০-এর মা! বরুণ-মৌনীর নতুন সমীকরণ দেখে হতবাক নেটপাড়া

বলিউডের কমেডি ঘরানার অন্যতম পরিচালক ডেভিড ধাওয়ান। তাঁর ছবিতে হাসির ছড়াছড়ি থাকাটাই স্বাভাবিক, কিন্তু এবারের ছবি ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’-এর ট্রেলার মুক্তি পেতেই হাসির চেয়েও বেশি চর্চা শুরু হয়েছে ছবির ‘কাস্টিং’ নিয়ে। ৩৯ বছর বয়সী বরুণ ধাওয়ানের বিপরীতে মাত্র ১ বছরের বড় অভিনেত্রী মৌনী রায়কে ‘মা’ হিসেবে দেখানোয় সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।

কী রয়েছে ছবির প্লট?
ছবির গল্প বেশ জটিল। বরুণ একদিকে স্ত্রী ম্রুণাল ঠাকুরের সাথে সন্তান চাইছেন, অন্যদিকে পূজা হেগড়ের সাথে তাঁর গোপন প্রেম চলছে। দুই নারীই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর বিশৃঙ্খলা চরমে পৌঁছায়। এরই মধ্যে বরুণের আবদারে ‘নকল’ মায়ের ভূমিকায় গ্ল্যামারাস মৌনী রায়ের এন্ট্রি ঘটে। ৪ বছর বয়সের ব্যবধানে মা-ছেলের এই রসায়ন দর্শকদের অবাক করেছে।

কেন ট্রোলিংয়ের মুখে ছবি?
বেমানান কাস্টিং: নেট নাগরিকদের একাংশের মতে, বরুণ ও মৌনীর বয়সের পার্থক্য এতটাই কম যে, তাঁদের ‘মা-ছেলে’ হিসেবে দেখানোটা চূড়ান্ত অবাস্তব এবং হাস্যকর।

‘ব্রেন রট’ বিতর্ক: ট্রেলার দেখে জনৈক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, এটি ডেভিড ধাওয়ানের ‘চরম ব্রেন রট’ (Brain Rot)। লাগাতার মানহীন কন্টেন্টের ভিড়ে এই ধরনের কাস্টিং দর্শকদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পুরানো ছক: অনেকে মনে করছেন, পরিচালক সেই নব্বইয়ের দশকের পুরনো কমেডি ছকই বারবার ব্যবহার করছেন, যা আজকের দর্শকদের কাছে একেবারেই বেমানান।

আইনি লড়াই ও ভবিষ্যৎ:
ছবির নাম নিয়ে প্রযোজক বাসু ভগনানির সাথে আইনি জটিলতা থাকলেও, শোনা যাচ্ছে আগামী ৪ জুন ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। একদিকে আইনি গেরো, অন্যদিকে কাস্টিং নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার বিষোদ্গার—সব মিলিয়ে মুক্তির আগেই ছবিটি খবরের শিরোনামে।