হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ, ৩০ জুনের মধ্যে ডিএ মেটাতে হবে সরকারকে! অস্বস্তিতে রাজ্য?

একদিকে পশ্চিমবঙ্গে ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন, অন্যদিকে পঞ্জাবে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) পরিশোধের ইস্যুতে নতুন করে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ আর সরকারি কর্মীদের আন্দোলনের জেরে দুই রাজ্যেই ডিএ ইস্যু এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
পঞ্জাবে আদালতের বড় নির্দেশ
পঞ্জাবের সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট। তথ্যানুযায়ী, সরকারি কর্মীদের বকেয়ার পরিমাণ বর্তমানে ৪৬ থেকে ৫৮ শতাংশের মতো। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সমস্ত বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে হবে সরকারকে। এই রায় ঘোষণার পরই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা। তাদের দাবি, বারংবার আদালতের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও ভগবন্ত মানের নেতৃত্বাধীন আপ সরকার বকেয়া মেটানোর ক্ষেত্রে টালবাহানা করছে।
পশ্চিমবঙ্গে ডিএ চর্চা ও নবান্নের বৈঠক
অন্যদিকে, বাংলায় ডিএ ইস্যু নিয়ে সরকারি কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দীর্ঘদিনের। সপ্তম পে কমিশন কার্যকর হলেও মহার্ঘ ভাতা নিয়ে নতুন করে কোনো ঘোষণা না আসায় হতাশা প্রকাশ করেছেন কর্মী সংগঠনগুলো। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর সামনে আসছে।
সূত্রের খবর, ডিএ সংক্রান্ত যাবতীয় জট কাটাতে আগামী ৩০ মে, শনিবার নবান্নে এক হাইভোল্টেজ বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই বৈঠকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বসতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। এই বৈঠকে মূলত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ এবং পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নেওয়া বিভিন্ন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের এখন নজর এই বৈঠকের দিকেই।