বিমান না কি নতুন গাড়ি? এয়ার ইন্ডিয়ার অন্দরে ঢুকে একী বললেন সচিন! মাস্টার ব্লাস্টারের রিভিউ ঘিরে শোরগোল

মাঠের বাইশ গজে বিপক্ষ বোলারদের শাসন করা সচিন তেন্ডুলকর এবার মজেছেন আকাশপথে। তবে শুধু বিমানে চড়া নয়, এয়ার ইন্ডিয়ার ভোলবদল দেখে রীতিমতো মুগ্ধ ‘ক্রিকেট ঈশ্বর’। সম্প্রতি টাটা গোষ্ঠীর মালিকানাধীন এয়ার ইন্ডিয়ার একটি রেট্রোফিট হওয়া (আধুনিকীকৃত) বিমানে সফর করেন তিনি। আর সেই সফরের অভিজ্ঞতা সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
“নতুন গাড়ির মতো অনুভূতি!”
নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে সফরের একটি ছবি পোস্ট করে সচিন লিখেছেন, “এয়ার ইন্ডিয়ার নতুন রেট্রোফিট করা বিমানে চড়লাম। একদম নতুন গাড়ির মতো অনুভূতি হচ্ছে। জানলার বাইরে নয়, যাত্রার বেশিরভাগ সময় আমি অপলক তাকিয়ে থেকেছি কেবিনের অন্দরসজ্জার দিকে।” আসনের আরাম থেকে শুরু করে বিমানের ভেতরের আধুনিক নকশা— সবকিছুতেই যে বিশ্বমানের ছাপ রয়েছে, তা সচিনের লেখাতেই স্পষ্ট। ক্রিকেট আইকন তাঁর পোস্টের শেষে এয়ার ইন্ডিয়াকে বিশেষ অভিনন্দনও জানিয়েছেন।
ক্রিকেটের ভাষায় জবাব এয়ার ইন্ডিয়ার
সচিনের মতো ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে এমন দরাজ সার্টিফিকেট পেয়ে আপ্লুত বিমান সংস্থাটিও। পাল্টাও এসেছে ক্রিকেটের ঢঙে। এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে সচিনকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়, “ধন্যবাদ স্যার! আপনার মতো এক কিংবদন্তির কাছ থেকে এমন প্রশংসা পাওয়া আমাদের কাছে বড় পাওনা। আপনাকে আবারও আমাদের পিচে (বিমানে) স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় রইলাম মাস্টার ব্লাস্টার।”
কেন এই ভোলবদল?
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে টাটা গোষ্ঠীর হাতে মালিকানা ফিরে আসার পর থেকেই এয়ার ইন্ডিয়াকে ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে। প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলারের এক বিশাল ‘রেট্রোফিট’ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সংস্থাটি। লক্ষ্য একটাই— উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পুরনো বিমানগুলোকে আমূল বদলে দিয়ে সেগুলোকে আধুনিক ও আরামদায়ক করে তোলা। সচিনের এই প্রশংসা সেই মেগা প্রকল্পেরই এক বড় সাফল্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পুরনো নাড়ির টান
সচিন তেন্ডুলকর এবং এয়ার ইন্ডিয়ার সম্পর্ক দীর্ঘ কয়েক দশকের। ২০০৭ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০১১-র ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়— ভারতীয় ক্রিকেট দলের গৌরবময় প্রতিটি মুহূর্তে সঙ্গী ছিল এই মহারাজাই। সেই পুরনো পরিবহণ-সঙ্গীর নতুন রূপ দেখে সচিনের এই আবেগঘন পোস্ট স্বাভাবিকভাবেই ভাইরাল নেটদুনিয়ায়।