অদ্বিতীয়ার বিপদ চরমে! ৪০০ বছরের রহস্য আর কুন্তলিনীর প্রতিশোধের নেশায় ছটফট করছে দিতি

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’-তে এখন টানটান উত্তেজনা। একের পর এক বিপদ পেরিয়ে অদ্বিতীয়া বা দিতি যখন সত্যের পথে এগোচ্ছে, তখনই তার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে ভয়ংকর অপশক্তি। কুন্তলিনী ও পুলস্তের যৌথ ষড়যন্ত্রে এবার দিতির প্রাণ সংশয় হতে চলেছে, যার ঝলক মিলল ধারাবাহিকের নতুন প্রোমোতে।

পূর্বজন্মের শত্রুতা: তমালিনী বনাম দিতি
নতুন প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, এক রহস্যময় সাধু কুন্তলিনীকে তার পূর্বজন্মের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। সাধুর দাবি, আগের জন্মে কুন্তলিনীর নাম ছিল তমালিনী এবং সে গোরাকে ভালোবাসত। কিন্তু দিতি বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় সে গোরাকে পায়নি। এই জন্মেও দিতি যদি ‘ফুল মুরারী কাব্য’-এর তৃতীয় খণ্ডটি উদ্ধার করতে পারে, তবে কুন্তলিনীর স্বপ্ন চিরতরে ভেঙে যাবে।

পুকুরের নিচে ৪০০ বছরের রহস্য
গল্পে দেখা যায়, দিতি একটি পুকুরের ধারে এসে পৌঁছায়। সে বুঝতে পারে, এই পুকুরের নিচেই গত ৪০০ বছর ধরে একটি কচ্ছপ পাহারা দিচ্ছে সেই অমূল্য কাব্যের তৃতীয় খণ্ড। কিন্তু দিতি কিছু বুঝে ওঠার আগেই পিছন থেকে এসে তাকে ধাক্কা দেয় কুন্তলিনী। গভীর জলে তলিয়ে যেতে থাকে দিতি। তবে জলের তলায় সে দেখতে পায় সেই রহস্যময় কচ্ছপকে। এবার প্রশ্ন হলো— সেই কচ্ছপ কি দিতিকে রক্ষা করবে, না কি ডুবে যাবে সে?

পুলস্তের রোবট-বোমা ও মহাপ্রভুর অলৌকিক কৃপা
কিছুদিন আগেই দেখা গিয়েছিল, গোরাকে পুলস্ত এক ঘরে বন্দি করে রাখে এবং পরিচারিকা বিনার ছেলেকে অপহরণ করে। দিতিকে মারতে পুলস্ত একটি ‘রোবট-বোমা’ ব্যবহার করেছিল। কিন্তু সেই মারণ ফাঁদ থেকেও অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় দিতি ও গোপাল। স্বয়ং মহাপ্রভু এসে তাঁর উত্তরীয় দিয়ে তাদের রক্ষা করেন।

মহাপ্রভুর আশীর্বাদ গোরার ওপর থাকলেও পুলস্ত ও কুন্তলিনী এবার ডাকিনী বিদ্যা ও অপশক্তির সাহায্য নিচ্ছে। এই অলৌকিক যুদ্ধে জয় হবে কার? দিতি কি উদ্ধার করতে পারবে সেই ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্থ? উত্তর জানতে চোখ রাখতে হবে জি বাংলার পর্দায়।