“প্রথম দফার আগেই দিল্লির বার্তা কলকাতায়! ফোনের ওপারে মমতা-কেজরি, কোন চালে কাঁপছে দিল্লি?”

লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হতে হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটা দিন। তার ঠিক আগেই বঙ্গ রাজনীতি তথা জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা উসকে দিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। বুধবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেন তিনি। দুই শীর্ষ নেতার এই ফোনালাপ ঘিরে এখন তোলপাড় জাতীয় রাজনীতির অলিন্দ।

কী কথা হল দুই মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে? সূত্রের খবর, ফোনালাপে মূলত আসন্ন নির্বাচন এবং বিরোধী জোটের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

  • বিজেপি বিরোধী রণকৌশল: দুই নেতাই নিজ নিজ রাজ্যে বিজেপির মোকাবিলা করছেন। নির্বাচনের ঠিক আগে কেন্দ্রীয় এজেন্সি এবং অন্যান্য ইস্যু নিয়ে একে অপরের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তাঁরা।

  • প্রচার পরিকল্পনা: প্রথম দফার ভোটের আগে দুই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রচারের গতিপ্রকৃতি নিয়েও সাধারণ তথ্য আদান-প্রদান হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

  • সহমর্মিতা: সাম্প্রতিক আইনি টানাপোড়েন এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কেজরীবাল ও মমতার এই আলাপচারিতা একে অপরের প্রতি সংহতি প্রকাশের মাধ্যম হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক গুরুত্ব: রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম দফার ভোটের ঠিক আগে মমতা-কেজরি বৈঠক বা ফোনালাপ মোটেও সাধারণ কোনো বিষয় নয়। এটি বিজেপির বিরুদ্ধে ‘ইন্ডি’ (I.N.D.I.A.) ব্লকের অন্দরে থাকা আঞ্চলিক শক্তিগুলোর এককাট্টা হওয়ার বার্তা। বিশেষ করে দুই মুখ্যমন্ত্রীই যখন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার, তখন এই ফোন কল বিরোধী শিবিরের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে।

জল্পনা তুঙ্গে: তবে কি ভোটের ফলাফলের পর নতুন কোনো সমীকরণ দেখা যাবে? নাকি প্রচারের ময়দানে তৃণমূল ও আম আদমি পার্টি একে অপরের হয়ে আরও বেশি সরব হবে? উত্তর মিলবে সময়ের সাথে।

এক নজরে: প্রথম দফার আগে দুই বিরোধী মুখ এক সুরে কথা বলায় নিশ্চিতভাবেই চাপে থাকতে পারে গেরুয়া শিবির।