বিচ্ছেদের গুঞ্জন নস্যাৎ! ১৯ বছরের দাম্পত্যে ঝগড়া হলে হার মানেন কে? ঐশ্বর্যর উত্তরে তাজ্জব কপিল শর্মা!

গত ২০ এপ্রিল বচ্চন পরিবারে ছিল উৎসবের মেজাজ। অভিষেক ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চন উদ্‌যাপন করলেন তাঁদের ১৯তম বিবাহবার্ষিকী। মধ্যরাতে মেয়ে আরাধ্যার সঙ্গে মিষ্টি একটি সেলফি পোস্ট করে বিচ্ছেদের যাবতীয় গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন ঐশ্বর্য। তবে এই আনন্দের আবহে নেটপাড়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে ‘কপিল শর্মা শো’-এর একটি পুরনো ভিডিও, যেখানে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে অকপট ছিলেন দম্পতি।

কে আগে ক্ষমা চান?
কপিল শর্মার শো-তে একবার এই দম্পতিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হলে মেটায় কে? মজার ছলে নভজ্যোৎ সিং সিধু বলেছিলেন, নিশ্চয়ই অভিষেকই আগে ‘সরি’ বলেন! কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে ঐশ্বর্য জানান আসল সত্য। বিশ্বসুন্দরী স্বীকার করেন যে, বেশিরভাগ সময় তিনিই আগে ক্ষমা চান!

ঐশ্বর্যর কথায়, “ঝগড়া বা মতবিরোধ হলে আমিই আগে সরি বলি। কারণ আমি চাই বিষয়টা দ্রুত মিটে যাক এবং অশান্তি থেমে যাক।” ঐশ্বর্যর এই উত্তর শুনে কপিল রসিকতা করে বলেছিলেন, “আপনার মতো সুন্দরী স্ত্রীকেও সরি বলতে হয়? এ তো অবিচার!”

ইগো ছেড়ে টেকসই দাম্পত্য
আজকালকার দিনে যেখানে সামান্য ইগোর লড়াইয়ে অনেক তারকা দম্পতির ঘর ভেঙে যাচ্ছে, সেখানে ঐশ্বর্যর এই নমনীয়তাই তাঁদের সম্পর্কের মূল চাবিকাঠি বলে মনে করছেন অনুরাগীরা। বারবার বিচ্ছেদের খবর সংবাদমাধ্যমে এলেও, প্রতি বছর হাসিমুখে অ্যানিভার্সারি পালন করে ঐশ্বর্য বুঝিয়ে দেন— বচ্চন পরিবারের বধূ হিসেবে তিনি জানেন কীভাবে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হয়।

একনজরে তাঁদের জার্নি:

প্রথম সাক্ষাৎ: ২০০০ সালের শুরুতে।

বিবাহ বন্ধন: ২০০৭ সালে ধুমধাম করে বিয়ে।

সন্তান: ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর জন্ম হয় মেয়ে আরাধ্যার।

সেরা সিনেমা: ‘ধুম ২’, ‘গুরু’, ‘রাবণ’, ‘ঢাই অক্ষর প্রেম কে’।