‘আমিই লড়াই করেছিলাম, আজ গর্বিত’, শীর্ষ আদালতের নির্দেশে কোচবিহারে দাঁড়িয়ে গর্জন মমতার!

ভোটার তালিকা থেকে গণহারে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের এদিনের নির্দেশ তাকে প্রশমিত করেছে বলে মনে করছেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ার মূল পয়েন্টগুলো:

  • গণতন্ত্রের রক্ষা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট আজ গণতন্ত্র রক্ষা করেছে। আমি আদালতের কাছে কৃতজ্ঞ। এটি মা-মাটি-মানুষের জয়।”

  • আদালতের লড়াই: মুখ্যমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন যে, ভোটার তালিকার এই বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া বা SIR-এর ফলে হওয়া হয়রানি নিয়ে তিনিই শীর্ষ আদালতে সরব হয়েছিলেন। তাই আদালতের এই ইতিবাচক নির্দেশে তিনি সবথেকে বেশি আনন্দিত।

  • অধিকার পুনরুদ্ধারের ডাক: রাজ্যের মানুষকে অভিনন্দন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আবেদন করেন, যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁরা যেন অবশ্যই আপিল ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন। তাঁর কথায়, “এর মাধ্যমেই আপনারা আপনাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবেন।”

  • ২১ এপ্রিলের ওপর নজর: মুখ্যমন্ত্রী জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রথম দফার ভোটের জন্য আগামী ২১ এপ্রিল একটি সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। ট্রাইব্যুনাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়া নাগরিকরা যাতে দ্রুত অন্তর্ভুক্ত হন, সেদিকেও তিনি নজর রাখছেন।

দলের কর্মীদের প্রতি নির্দেশ:

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নীচুতলার কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তাঁরা সাধারণ মানুষকে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে সবরকম প্রযুক্তিগত ও আইনি সাহায্য করেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একটিও প্রকৃত ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাদ না থাকে।


ঘটনার প্রেক্ষাপট:

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট এদিনই নির্দেশ দিয়েছে যে, ভোটের অন্তত দু’দিন আগে পর্যন্ত যারা আপিল ট্রাইব্যুনাল থেকে ছাড়পত্র পাবে, তারা আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবে। এর জন্য কমিশনকে সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।