“আঙুলের ছাপেই শেষ হবে জাল ভোট!” বাংলায় ভোট রাজনীতির মাঝেই বড় ধামাকা মনোজ তিওয়ারির!

২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের উত্তাপ বাড়ছে। আর এই হাই-ভোল্টেজ আবহেই হাওড়ায় পা রেখে নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করলেন বিজেপি সাংসদ তথা ভোজপুরি মহাতারকা মনোজ তিওয়ারি। কমিশনকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি তিনি বাংলার ভোট নিয়ে দিলেন একগুচ্ছ কড়াবার্তা।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিই রুখবে রিগিং!

মনোজ তিওয়ারি সাফ জানান, ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে বায়োমেট্রিক সিস্টেমই সেরা হাতিয়ার। তাঁর কথায়, “অফিসে হাজিরা দিতে পারলে ভোটে কেন নয়? বায়োমেট্রিক চালু হলেই জাল ভোটের কারবার চিরতরে বন্ধ হবে।” একইসাথে তিনি নাম না করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তোপ দেগে বলেন, বিরোধী দলগুলি আসলে ভুয়া ভোটের রাজনীতির ওপর ভরসা করে আছে।

ভোটার লিস্টে নাম নেই? সাফ কথা মনোজের

সাম্প্রতিক সময়ে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় বহু মানুষের নাম বাদ পড়া নিয়ে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। এই ইস্যুতে মনোজের যুক্তি অত্যন্ত ব্যবহারিক। তিনি বলেন, “অস্ত্রের লাইসেন্স পেতে গেলে যেমন নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হয়, দেশের সরকার গড়ার অধিকার পেতে গেলে ভোটার লিস্টে নাম তোলার ঝক্কিও নিতে হবে। নাম বাদ গেলে নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য কমিশন যথেষ্ট সময় দেয়।”

ইচ্ছামৃত্যুর আর্জি নিয়ে কড়া বার্তা

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় কেউ কেউ রাষ্ট্রপতির কাছে ইচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানিয়েছেন— এমন সংবেদনশীল খবর সামনে আসার পর মনোজ তিওয়ারি নাগরিকদের কমিশনের ওপর আস্থা রাখার অনুরোধ করেন। তাঁর দাবি, ১৪০ কোটির দেশে যেখানে ‘রি-পোলিং’ হয় না বললেই চলে, সেখানে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অর্থহীন।

সংক্ষেপে মনোজের দাবি:

  • ভারত নির্বাচন কমিশন (ECI) বিশ্বের রোল মডেল।

  • নাম বাদ পড়ার ভয়ে আতঙ্কিত না হয়ে প্রক্রিয়া মেনে আবেদন করতে হবে।

  • জাল ভোট রুখতে ডিজিটাল ব্যবস্থার বিকল্প নেই।