সেনাবাহিনীতে এবার ‘ড্রোন ওয়ারিয়র’! হাতে বন্দুকের বদলে রিমোট কন্ট্রোল, ২০২৭-এর মধ্যে ভোলবদল ভারতীয় সেনার

আধুনিক যুদ্ধের সংজ্ঞা বদলে দিচ্ছে ড্রোন প্রযুক্তি। রাশিয়া-ইউক্রেন বা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত প্রমাণ করে দিয়েছে যে, আকাশপথে নজরদারি ও নিখুঁত হামলা চালাতে ড্রোনের কোনো বিকল্প নেই। এই পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মেলাতে ভারতীয় সেনাবাহিনী গ্রহণ করেছে এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা। ২০২৭ সালের মধ্যে সেনাবাহিনীর প্রতিটি পদাতিক সৈন্যকে ড্রোন চালনায় দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি ব্যাটালিয়নে ‘আশানি প্লাটুন’: ইতিমধ্যেই প্রায় ৩৮০টি পদাতিক ব্যাটালিয়নে ‘আশানি প্লাটুন’ নামে বিশেষ ড্রোন ইউনিট গঠন করা হয়েছে। ‘ঈগল ইন দ্য আর্ম’ কনসেপ্টের মাধ্যমে প্রতিটি সৈনিকের হাতে ড্রোনের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়া হচ্ছে। আইএমএ (IMA) এবং ওটিএ (OTA)-র মতো প্রথম সারির সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ড্রোন প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয়েছে।

আক্রমণ থেকে চিকিৎসা—সবই ড্রোনে: ড্রোনের ব্যবহার কেবল শত্রুপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেওয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। রসদ সরবরাহ, দুর্গম এলাকায় নজরদারি এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সৈনিকদের দ্রুত স্থানান্তরের মতো চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজেও ড্রোন ব্যবহার করবে ভারতীয় সেনা। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ সফলভাবে ড্রোন ব্যবহারের পর এবার পুরো বাহিনীকে ‘ড্রোন ওয়ারিয়র’ হিসেবে গড়ে তুলতে মরিয়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।