পকসো মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা, মুখ খুললেন অভিমুক্তেশ্বরানন্দ! ‘গো-রক্ষা আন্দোলন দমাতেই ষড়যন্ত্র’?

যৌন নির্যাতন ও পকসো (POCSO) আইনের মামলায় স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতীকে গ্রেফতার করতে সোমবার তাঁর বারাণসীর বাসভবনে পৌঁছাল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তবে এই গ্রেফতারি নিয়ে রীতিমতো সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ দাবি করেছেন, দেশে গোহত্যা নিষিদ্ধ করার যে আন্দোলন তিনি শুরু করেছেন, তা থেকে মানুষের নজর ঘোরাতেই সরকার এই ‘কৌশল’ নিয়েছে।
গ্রেফতারির আগে তিনি সরাসরি সরকারের বিরুদ্ধে শঙ্করাচার্যদের ওপর আক্রমণের অভিযোগ তুলেছেন। অভিমুক্তেশ্বরানন্দ বলেন, “দেশের চারজন শঙ্করাচার্য সর্বদা সনাতন ধর্মকে রক্ষা করেছেন, আর এখন সরকার তাঁদের ওপরই আক্রমণ শুরু করেছে। যে ছাত্রদের কথা বলা হচ্ছে তারা আমাদের গুরুকুলের নয়।” তিনি আরও জানান যে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং তিনি পুলিশকে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। তাঁর কথায়, “জনসাধারণের আদালত, বিবেকের আদালত এবং ঈশ্বরের আদালত— এই তিনটি জায়গা থেকেই আমি ক্লিন চিট পেয়েছি।”
উল্লেখ্য, আশুতোষ ব্রহ্মচারী নামে এক ব্যক্তি স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দর বিরুদ্ধে গুরুতর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনেন। তাঁর দাবি, মাঘ মেলার সময় কয়েকজন নাবালক ও প্রাপ্তবয়স্ক তাঁর কাছে এসে যৌন শোষণের অভিযোগ জানায়। অভিযোগ আরও গুরুতর করে আশুতোষ দাবি করেছেন, গুরু সেবার নামে শিশুদের যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করা হতো এবং তাঁর কাছে মহিলাদের যৌন নির্যাতনের সিডিও রয়েছে। এই মামলার ভিত্তিতেই প্রয়াগরাজ আদালত পুলিশি পদক্ষেপের নির্দেশ দেয়। তবে অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ ও সিডি জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।