মুসলিম সম্পত্তি আইনে বড় রায় হাইকোর্টের! উত্তরাধিকারীর অনুমতি ছাড়া করা যাবে না উইল, জানুন নতুন নিয়ম

সোমবার ‘পরীক্ষা পে চর্চা’-এর দ্বিতীয় অধিবেশনে দেশের পড়ুয়াদের মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বর্তমান যুগের তীব্র প্রতিযোগিতা আর পরীক্ষার চাপ সামলে কীভাবে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো যায়, সেই দিশাই দেখালেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন যে, কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ না থেকে নিজের ভালো লাগা বা প্যাশনকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

পড়াশোনা ও প্যাশনের মেলবন্ধন ছাত্রছাত্রীদের মনে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে—পড়াশোনা না কি প্যাশন, কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? প্রধানমন্ত্রী মোদী এর এক চমৎকার ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, “পড়াশোনা আর আবেগকে আলাদা করে দেখবেন না।” তাঁর পরামর্শ হলো, যদি কেউ বিজ্ঞানের ছাত্র হয়েও ছবি আঁকতে ভালোবাসেন, তবে পড়ার বিষয়টিকে ছবির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলুন। এতে পড়াশোনা এবং সৃজনশীলতা—উভয়ই বিকশিত হবে।

স্টার্টআপ শুরুর কোনো বয়স নেই বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে স্টার্টআপ শুরুর প্রবণতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আশাবাদী। তিনি পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে বলেন, “স্টার্টআপ শুরু করার জন্য ২৫ বছর বয়স হওয়ার প্রয়োজন নেই। যেকোনো বয়সেই এটি শুরু করা সম্ভব।” তিনি আরও পরামর্শ দেন যে, পড়ুয়াদের উচিত শিল্প বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলা এবং কাজ শেখার মানসিকতা তৈরি করা। নিজের বন্ধুদের নিয়ে একটি ছোট স্টার্টআপের পরিকল্পনা যে পড়াশোনার মাঝেই করা সম্ভব, সেই সাহসও জোগান তিনি।

শৃঙ্খলাই সাফল্যের চাবিকাঠি জীবনে শৃঙ্খলার (Discipline) গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শৃঙ্খলাহীন মোটিভেশন আসলে অর্থহীন। এটি হতাশার জন্ম দেয়। জীবনের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলার জন্য শৃঙ্খলাই হলো একমাত্র পথ।

তামিলনাড়ুর শিক্ষার্থীদের কৌতূহল এবং প্রাণশক্তির প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, গত কয়েক বছর ধরে পড়ুয়াদের সাথে এই কথোপকথন তাঁকে অনেক নতুন কিছু শিখিয়েছে। এবারের ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ সংস্করণটি ভিন্ন কারণ প্রধানমন্ত্রী নিজেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে সরাসরি ছাত্রছাত্রীদের সমস্যার সমাধান করেছেন।