গালওয়ান যুদ্ধের আড়ালে পরমাণু বিস্ফোরণ! চিনের গোপন ‘অপারেশন’-এর পর্দা ফাঁস করল আমেরিকা

২০২০ সালের ১৫ জুন লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় ও চিনা সেনাদের মধ্যে সেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের কথা আজও ভোলেনি বিশ্ব। কিন্তু সেই উত্তেজনার আড়ালে চিন কি আরও বড় কোনো নীল নকশা তৈরি করছিল? আমেরিকার এক বিস্ফোরক দাবিতে এখন তোলপাড় আন্তর্জাতিক মহল। মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট থমাস ডিনান্যো দাবি করেছেন, গালওয়ান সংঘর্ষের ঠিক সাতদিন পর, অর্থাৎ ২২ জুন গোপনে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করেছিল বেজিং।
ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে আমেরিকা কী বলছে? মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যখন গোটা বিশ্বের নজর ভারত-চিন সীমান্তের ওপর ছিল, ঠিক তখনই শিনজিয়াং প্রদেশের লোপ নুর সাইটে এই গোপন পরীক্ষা চালায় লাল ফৌজ। অভিযোগ উঠেছে, এই পরীক্ষার প্রভাব ও শব্দ গোপন করতে চিন ‘ডি-কাপলিং’ নামক এক অত্যাধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল, যাতে কোনো সিসমিক সিগন্যাল বা ভূকম্পন ধরা না পড়ে। কূটনীতিবিদদের মতে, গালওয়ান সংঘর্ষ সম্ভবত একটি সুপরিকল্পিত ‘ডাইভারশন’ ছিল, যাতে নজর ঘুরিয়ে নির্বিঘ্নে পরমাণু পরীক্ষা সারা যায়।
কেন এখন এই তথ্য সামনে এল? বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ৫ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকার পরমাণু চুক্তি শেষ হওয়ার পর এখন চিনের ওপর চাপ বাড়াতে চাইছে ট্রাম্প প্রশাসন। জেনেভায় রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় মার্কিন প্রতিনিধি স্পষ্ট জানিয়েছেন, চিন গোপনে তাদের পরমাণু ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করছে যা বিশ্বশান্তির জন্য বড় হুমকি। ভারতের খুব কাছে চিনের এই গোপন পরমাণু কর্মকাণ্ড ভারতের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল।