কালাষ্টমী ২০২৬: জীবন থেকে কাটবে গ্রহদোষ ও শত্রুর ভয়! আজই করুন এই বিশেষ ৫টি টোটকা

হিন্দু ধর্মে কালাষ্টমীর গুরুত্ব অপরিসীম। এই দিনটি ভগবান শিবের অত্যন্ত উগ্র এবং শক্তিশালী অবতার ‘কালভৈরব’-এর প্রতি উৎসর্গ করা হয়। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, কালাষ্টমীর পুণ্য তিথিতে ভক্তিভরে কিছু বিশেষ নিয়ম পালন করলে জীবনের সমস্ত সংকট, ভয়, নেতিবাচক শক্তি এবং বাধা দূর হয়ে যায়। বিশেষ করে কেরিয়ার এবং ব্যবসায় উন্নতির পথ প্রশস্ত করতে এই দিনটি অত্যন্ত শুভ।

কালাষ্টমীর মাহাত্ম্য: প্রতি মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিকে কালাষ্টমী হিসেবে পালন করা হয়। বলা হয়, কালভৈরব তাঁর ভক্তদের ডাক দ্রুত শোনেন। এই দিনে আরাধনা করলে রোগ, শোক, শত্রু ভয় এবং আর্থিক অনটন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

সাফল্য ও শান্তির অব্যর্থ উপায়:

কালভৈরব পূজা: সকালে স্নান সেরে পরিষ্কার পোশাকে কালভৈরবের সামনে প্রদীপ জ্বালান। কালো তিল, সরষের তেল, অড়হর ডাল এবং লেবু অর্পণ করুন। এতে ঘর থেকে নেতিবাচক শক্তি বিদায় নেয়।

সারমেয় সেবা: কালভৈরবের বাহন হলো কুকুর। এই দিনে কুকুরকে রুটি, দুধ বা বিস্কুট খাওয়ান। এটি জীবনের বড় কোনো দুর্ঘটনা বা সংকট এড়াতে সাহায্য করে।

মন্ত্র জপ: আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং মনের ভয় দূর করতে অন্তত ১০৮ বার “ॐ কালভৈরবায় নমঃ” মন্ত্রটি জপ করুন।

দীপদান: সন্ধ্যায় অশ্বত্থ গাছের তলায় বা মন্দিরে সরষের তেলের প্রদীপ জ্বালান। এটি চাকরি বা ব্যবসায় চলা দীর্ঘদিনের মন্দা দূর করতে সহায়ক।

দান-ধ্যান: শনি ও রাহুর কুপ্রভাব থেকে বাঁচতে এই দিনে কালো কম্বল, কালো তিল বা কালো পোশাক দান করুন।

মনে রাখবেন, এই দিনে মদ্যপান বা আমিষ আহার বর্জন করে সাত্ত্বিক জীবন যাপন করা উচিত, তবেই পুজোর পূর্ণ ফল লাভ করা সম্ভব।